Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

কুয়েতের ফ্রিল্যান্স ভিসা, কারা পাবে কত দিনে পাওয়া যাবে?

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:০০

কুয়েতের ফ্রিল্যান্স ভিসা, কারা পাবে কত দিনে পাওয়া যাবে?

কুয়েত আগামী দুই মাসের মধ্যে চালু করতে যাচ্ছে কাফালা বা স্পন্সর ছাড়াই ফ্রিল্যান্স ভিসা। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা স্বাধীনভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশিসহ অন্যান্য দেশের দক্ষ পেশাজীবীরা কুয়েতে নিজের নামে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন। 

এখন প্রশ্ন কারা আবেদন করতে পারবেন? কী যোগ্যতা লাগবে? কত টাকা লাগবে? আর আবেদন করবেন কীভাবে?  

প্রথমেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য— এই ভিসা কিন্তু এখনো চালু হয়নি। তবে কুয়েতের সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ভিসা হবে দক্ষ পেশাজীবী, কনসালটেন্ট, স্বনিযুক্ত উদ্যোক্তা ও ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য। অর্থাৎ যাদের নির্দিষ্ট দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা আছে এবং যারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, তারাই অগ্রাধিকার পাবেন। সাধারণ অদক্ষ শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই ভিসা প্রযোজ্য হবে কিনা, এখনো স্পষ্ট নয়। 

যোগ্যতার ক্ষেত্রে কী সার্টিফিকেট লাগতে পারে? 

চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেনি কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে সম্ভাব্যভাবে বৈধ পাসপোর্ট, শিক্ষাগত সনদ, কাজের অভিজ্ঞতার প্রমাণ, পেশাগত সার্টিফিকেট এবং ব্যাংকিং সাপোর্ট ডকুমেন্ট চাওয়া হতে পারে। নিজের পেশায় কাজ করার সক্ষমতা দেখাতে হবে।

বার্ষিক ফি কত হবে?

প্রতি বছর ৭৫০ থেকে ১ হাজার কুয়েতি দিনার জমা দিতে হতে পারে। টাকা সরাসরি সরকারি মাধ্যমে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে দালাল বা এজেন্টের কোনো প্রয়োজন নেই।

এই ভিসার জন্য আবেদন করবেন কীভাবে?

এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, এই ভিসার জন্য কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। কাগজপত্র আপলোড করে ফি জমা দিলেই আবেদন সম্পন্ন হবে। এ ক্ষেত্রে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করবে। কিন্তু আপনি যদি  ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে থাকেন, আপনার আবেদন অটো বাদ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত প্রবল।  

কত দিনে ভিসা মিলবে?

সরকারি ইঙ্গিত অনুযায়ী, সব ঠিক থাকলে দুই মাসের মধ্যে ভিসা পাওয়া যেতে পারে।

সব মিলিয়ে এই ফ্রিল্যান্স ভিসা চালু হলে বাংলাদেশের দক্ষ কর্মীদের জন্য বড় সুযোগ হতে পারে। কারণ এতে স্পন্সর ছাড়াই থাকা ও কাজ করার সুযোগ মিলবে। বর্তমানে কাফালা ব্যবস্থায় যা সম্ভব নয়। নতুন এই উদ্যোগ প্রবাসীদের জন্য কাজের স্বাধীনতাও বাড়াবে অনেকাংশে। আর কুয়েত সরকার মনে করছে, এতে করে যারা ভিসা নিয়ে বাণিজ্য করে তাদের দৌরাত্ম্য কমবে।

Logo