সৌদি আরবের শিল্প অর্থনীতির তৃতীয় স্তম্ভ হিসেবে খনন খাতকে ঘোষণা করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে নতুন খনন লাইসেন্স প্রদানে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। গালফ ডেইলি নিউজের সংবাদ জানিয়েছে, আগের বছরের তুলনায় ২২০ শতাংশ বেশি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।
শিল্প ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মোট ৬১টি নতুন খনন লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, যেখানে ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ১৯টি। নতুন প্রকল্পগুলোর বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪ বিলিয়ন সৌদি রিয়াল। এসব প্রকল্পে সোনা ও ফসফেটসহ উচ্চমানের খনিজ আহরণ করা হবে।
খনন খাতের অবদান ইতোমধ্যেই দ্বিগুণ হয়ে ২০২৪ সালে জিডিপিতে ১৩৬ বিলিয়ন রিয়ালে পৌঁছেছে। এ খাতে মোট বিনিয়োগ হয়েছে ১৭০ বিলিয়ন রিয়ালের বেশি। ২০২০ সালের পর থেকে অনুসন্ধান কার্যক্রমে ব্যয় পাঁচ গুণ বেড়ে গেছে।
২০২০ সালে যেখানে মাত্র ৬টি কোম্পানি অনুসন্ধানে যুক্ত ছিল, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৬টিতে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এখন মোট লাইসেন্স আবেদনকারীর ৬৬ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক আস্থার প্রতিফলন।
২০২৫ সালের শেষে সৌদি আরবে মোট বৈধ খনন লাইসেন্সের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭৫, যা ২,১৬০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ আরো সহজ করা হবে। এর মাধ্যমে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য অনুযায়ী অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পথে খনন খাত বড় ভূমিকা রাখবে।
logo-1-1740906910.png)