কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আবাসন বিষয়ক মহাপরিচালক দপ্তর প্রবাসী অভিভাবক, বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত নারী এবং কুয়েতি নাগরিকদের স্বামী-স্ত্রীর জন্য নতুন আবাসন নিয়ম চালু করেছে। এই পরিবর্তনকে দেশটির অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রবাসীদের সন্তান ও স্ত্রী-স্বামী এখন থেকে আবাসন অনুমতি পাবেন আবাসন আইন ২২ ধারার আওতায়। এতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সব শর্ত ও বিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। কুয়েতি নাগরিকদের স্ত্রী ও স্বামী আবাসন আইন ২৬ ধারার আওতায় পড়বেন। এ ক্ষেত্রে প্রতি বছর ১৫ কুয়েতি দিনার ফি দিতে হবে। একইভাবে কুয়েতি নাগরিকদের বিধবা ও তালাকপ্রাপ্ত নারীরা আবাসন আইন ২৮ ধারার আওতায় অনুমতি পাবেন, তবে সেটিও মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।
নতুন নিয়মে আবাসন আইন ২৭ ধারার আওতায় কুয়েতি নাগরিকদের মামা-মামি বা খালা-ফুফুদেরও বিনা ফিতে আবাসনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের জন্য সহায়তা বাড়ানো হয়েছে।
তবে প্রবাসী অভিভাবকদের জন্য নিয়ম আরও কঠিন করা হয়েছে। তাদের আবাসন অনুমতির জন্য বছরে ৩০০ কুয়েতি দিনার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ সন্তানরা কুয়েতে থাকলেও অভিভাবকদের আবাসন ব্যয় অনেক বেশি হবে।
এই পরিবর্তনগুলোকে কুয়েতের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের সংস্কারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকার বলছে, নতুন নিয়মে আবাসন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারীরাই অনুমতি পাবেন। তবে প্রবাসীদের মধ্যে এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, অভিভাবকদের জন্য বাড়তি ফি তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।
logo-1-1740906910.png)