পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকন আর আরমাডা চোখ রাঙানি দিলেও মার্কিন এসব হুমকি থোরাই কেয়ার করছে ইরান। দেশটি বলছে, তারা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সমর্থনে নতুন করে দেশরক্ষার শপথ নিয়েছে। ইরান সরকার জানিয়েছে, ট্রাম্পের হুমকি আন্তর্জাতিক আইনের রীতিনীতির লঙ্ঘন। এ খবর দিয়েছে আল জাজিরা।
মার্কিন হামলার টেনশন যখন বাড়ছে ইরানে, তখন চীন ও রাশিয়া জানিয়েছে, দেশ দুটি ইরান পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসভ জানিয়েছেন, ইরানে মার্কিনিরা হামলা করলে, তার রিস্ক ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে তিনি চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেছেন।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়ে দিয়েছে, ইরানে হামলা বিষয়ে আমিরাত তার আকাশ-স্থল ও জলপথ ব্যবহার করতে দেবে না। উপসাগরীয় অঞ্চলে সংকট ঘনীভূত হওয়ায় কাতারে শুরু হয়েছে কৌশলগত এক সামরিক মহড়া, যাতে অংশ নিয়েছে গালফভুক্ত দেশগুলো।
এমন বাস্তবতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো কিছুই তাকে থামাতে পারবে না। যেমন করে তারা ভেনেজুয়েলার মাদুরোকে তুলে এনেছেন, তেমন করেই ঘটনা ঘটবে ইরানে, কলম্বিয়া আর কিউবায়। যদিও ইরান একটা ডিল করতে চাইছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
ট্রাম্পের এমন হুমকির প্রতিক্রিয়ায় ইরানও জানিয়ে দিয়েছে, দেশটিতে হামলা হলে তার পরিণতি হবে মারাত্মক। যা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে গোটা অঞ্চলে, তখন তা সামাল দেওয়াই কঠিন হয়ে পড়বে।
logo-1-1740906910.png)