মধ্যপ্রাচ্যের নিউজ আপডেট ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
বাহরাইনে মানি এক্সচেঞ্জের নামে প্রতারণা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৮:৩০
বাহরাইন
বাহরাইনে মানি এক্সচেঞ্জের নামে প্রতারণা
বাহরাইনে নানা ছলে প্রতারণার বিষয়ে সতর্ক করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক সতর্ক বার্তায় দেশটির নাগরিক ও বাসিন্দাদের জানানো হয়েছে, মানি এক্সচেঞ্জের ছলে এক ব্যাক্তি ১২০০ দিনার লোকসানের মুখে পড়েছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ, ক্ষতির শিকার হওয়া ব্যক্তিটি জানিয়েছেন, এক লোক তাকে বাজারের রেটের চেয়ে ভালো রেটে ডলার বা ইউরো দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। হোয়াটসঅ্যাপে সেই প্রতারক তার সাথে কথা বলেন।
ওই প্রতারকের কথা মতো ডলার বা ইউরো কিনতে যান সেই ব্যক্তি। কিন্তু অর্থ নিয়ে স্পটে পোঁছালে সেই প্রতারক ও তার সহযোগীরা মিলে অপ্রত্যাশিতভাবে খামের টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত চম্পট দেয়। এ ঘটনায় প্রতারিত হওয়া ব্যক্তি সব অর্থ হারিয়ে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন।
মানামার হিড পুলিশ স্টেশনের প্রধান কর্নেল ড. ওসামা বাহার বলেন, এই ঘটনা থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নেওয়া উচিত। সাধারণ মানুষের কাছে বাজারের চেয়ে বেশি রেটে মুদ্রা বদলানোর প্রস্তাব নিয়েও প্রতারণা হতে পারে এবং অপরিচিত লোকদের সাথে জনসমক্ষে এ নিয়ে বাণিজ্য করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
যদিও শেষ পর্যন্ত এসব প্রতারকদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এমন প্রতারণা থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও সতর্ক থাকা উচিত।
সৌদি আরব
কীটনাশক ব্যবহারে নতুন কঠোর আইন আসছে
নিষিদ্ধ ও ভেজাল কীটনাশক ব্যবহার করলে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে নতুন আইন করতে যাচ্ছে সৌদি আরব। নতুন আইনে পাঁচ বছরের জেল ও ১০ লাখ রিয়াল জরিমানার বিধান রাখা হতে পারে বলে খবর দিয়েছে গালফ নিউজ।
নতুন প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, ক্ষেতে বা ফল-ফসলে কীটনাশক ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে কৃষিকাজে যুক্তদের। ছোটখাটো আইনলঙ্ঘনে হয়তো মানুষ, পরিবেশ, প্রাণীর তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। তাই প্রথমে সতর্ক করা হবে। কিন্তু অপরাধের মাত্রা বড় হলে কঠিন শাস্তি ও বড় অঙ্কের জরিমানা দিতে হবে। কেউ যদি নকল ও নিষিদ্ধঘোষিত কীটনাশক আমদানি ও ব্যবহার করে, তাহলে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। সৌদি কৃষিকাজের সাথে যুক্ত আছেন বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি। ফলে তাদেরও এ বিষয় নিয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
কুয়েত
কুয়েতের ওফরাহতে ফলছে নানা ধরনের ফল-ফসল
কুয়েতের কৃষকরা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে নানা ধরনের ফল উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। দেশটির আল ওফরাহ ও আল আবদালি অঞ্চলে ফল-ফসল উৎপাদনে বড় ধরনের সাফল্যও পেয়েছেন কৃষকরা। মরুর দেশে এমন ফল-ফসলের উৎপাদন করতে পেরে খুশি তারা। তাদের ক্লাইমেট-কন্ট্রোলড গ্রিনহাউসে ফলছে সাইট্রাস, আঙুর, নারিকেল, আম, পেয়ারা, আনারস, কলা, পিচ, আপেলের মতো ফল।
আরব টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, অনেক কৃষক এসব ফল বাণিজ্যিক হারে উৎপাদনে সক্ষমতা দেখিয়েছেন এবং স্থানীয় এসব ফল ও সবজি বাজারে সরবরাহ করছেন।
কৃষক আল শেহরি জানিয়েছেন, সাইট্রাস, কলা, পেপের মতো ফলের উৎপাদন আরো বাড়াতে তাদের দরকার সস্তা বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ। কুয়েতের কৃষকরা মনে করছেন, সুযোগ-সুবিধা বাড়লে গ্রিনহাউস ও আধুনিক কৃষি প্রকল্পগুলোতে বেশি সফলতা আসবে। কুয়েতি কৃষিকাজের সাথে যুক্তরা মনে করেন, যদি সরকারের তরফ থেকে গ্রিনহাউসসহ কৃষি প্ল্যান্টগুলোকে আরো সহায়তা দেওয়া হয়, তাহলে কুয়েতে স্থানীয় ফল উৎপাদন আরো দ্রুত বেড়ে যাবে এবং বাজারে বিদেশি আমদানি কমবে।
logo-1-1740906910.png)