আমিরাতের শ্রমবাজার দখলের লক্ষ্য ইন্দোনেশিয়ার
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৩
ইন্দোনেশিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) আরো বেশি শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ খুঁজছে। দেশটির জাতীয় লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের মধ্যে ৫ লাখ শ্রমিক বিদেশে পাঠানো। এ লক্ষ্যে ইউএইকে অন্যতম অগ্রাধিকার দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়ার বার্তা সংস্থা অন্তরা এ সংবাদ প্রকাশ করেছে।
ইন্দোনেশিয়ার অভিবাসী শ্রমিক সুরক্ষা বিষয়ক উপমন্ত্রী ক্রিস্টিনা আরিয়ানি ২৪ নভেম্বর জাকার্তায় এক অনুষ্ঠানে বলেন, প্রেসিডেন্টের ‘কুইক উইন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০২৬ সালে ৫ লাখ শ্রমিক বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউএই এ লক্ষ্য পূরণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি জানান, ইউএইতে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর ক্ষেত্রে উৎপাদন, প্রকৌশল, নির্মাণ, সামুদ্রিক খাত, পর্যটন, হোটেল ও হসপিটালিটি সেক্টরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ বিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার শ্রম মন্ত্রণালয় ও আবুধাবিতে দেশটির দূতাবাসের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে।
আরিয়ানি বলেন, আগামী বছর আবুধাবিতে একটি ফোরাম আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে হোটেল খাতের নিয়োগকর্তা, শ্রম মন্ত্রণালয় এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত নিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নেবে। ব্যবসায়িক মিলনমেলার মাধ্যমে শ্রমিক নিয়োগের সুযোগ বাড়ানো হবে।
ইন্দোনেশিয়ার ইউএই রাষ্ট্রদূত জুধা নুগ্রাহা জানান, ২০২৬ সালের মধ্যে ইউএইতে ইন্দোনেশিয়ান শ্রমিকের চাহিদা প্রায় ৬ হাজারে পৌঁছাবে। এর মধ্যে ৫ হাজার জন হসপিটালিটি খাতে, ২০০ জন স্বাস্থ্যসেবায়, ১০০ জন নির্মাণে, ১০০ জন উৎপাদনে এবং ৪০০ জন পরিবহন খাতে কাজের সুযোগ পাবেন।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ইন্দোনেশিয়া বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে। ইউএই পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক খাতে বাজার প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং শ্রমবাজার সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সরবরাহে সহায়তা করা হবে।
সব মিলিয়ে ইন্দোনেশিয়া ও ইউএইর মধ্যে শ্রমিক নিয়োগ নিয়ে নতুন সহযোগিতা শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে দক্ষ শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।
logo-1-1740906910.png)