মার্কিন ভিসা সাক্ষাৎকারে কোনো ধরনের মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য না দিতে ভিসাপ্রার্থীদের সতর্ক করেছে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। ৩ অক্টোবর দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় বলা হয়েছে, ভিসা আবেদন ও সাক্ষাৎকারের সময় সত্য তথ্য প্রদান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় আবেদনকারীকে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে।
পোস্টে ভিসাপ্রার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়, কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীদের অতীতের অভিবাসন-সংক্রান্ত তথ্য এবং আইন লঙ্ঘনের রেকর্ড সম্পর্কে অবগত থাকেন।
দূতাবাসের ভাষ্য, অনেক আবেদনকারী মনে করেন অতীতের কোনো তথ্য গোপন করলে বা ভুল তথ্য দিলে তা ধরা পড়বে না। কিন্তু ভিসা কর্মকর্তাদের কাছে বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ থাকে।
এ কারণে সাক্ষাৎকারের সময় সঠিক ও নির্ভুল তথ্য দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, “কনস্যুলার কর্মকর্তারা আপনার অতীতের যে কোনো ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘনের তথ্য সম্পর্কে অবগত। তাই সাক্ষাৎকারে সত্য বলুন। মিথ্যা বললে আপনার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে।”
অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা আবেদনপত্রে কিংবা সাক্ষাৎকারে ভুল বা অসত্য তথ্য প্রদান করলে তা শুধু আবেদন প্রত্যাখ্যানের কারণই নয়, ভবিষ্যতে নতুন ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষ করে পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের মেয়াদ অতিক্রম করা, ভিসার শর্ত ভঙ্গ করা, শিক্ষার্থী বা কর্মসংস্থান ভিসার নিয়ম না মানা কিংবা অন্য কোনো অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনা থাকলে তা গোপন না করে সঠিকভাবে উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ।
ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিসা আবেদন ও অভিবাসনসংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশনা ও সতর্কবার্তা প্রকাশ করে থাকে। সাম্প্রতিক এই বার্তাটিও সেই ধারাবাহিকতার অংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রক্রিয়ায় তথ্য যাচাইয়ের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। ফলে আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পথ হলো আবেদনপত্র এবং সাক্ষাৎকারে সব তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা।
logo-1-1740906910.png)