সিঙ্গাপুরের জনসংখ্যা নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। জুন ২০২৬ পর্যন্ত দেশটির জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬.২১ মিলিয়ন। আগের বছরের তুলনায় এটি ১.৬ শতাংশ বেশি। সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এই বৃদ্ধির বড় অংশ এসেছে বিদেশি বাসিন্দাদের সংখ্যা বাড়ায়।
বিদেশি বাসিন্দা বেড়েছে ৩.৭ শতাংশ। এখন তাদের সংখ্যা প্রায় ১.৯৮ মিলিয়ন। জমির সংকটপূর্ণ এই দ্বীপ রাষ্ট্রে বিদেশি জনসংখ্যা বাড়া সব সময়ই রাজনৈতিক নেতাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ স্থানীয়রা চাকরি ও জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে।
২০১৩ সালে সিঙ্গাপুরে বিরলভাবে বড় বিক্ষোভ হয়েছিল। তখন সরকার জনসংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ৬.৯ মিলিয়নে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন, এত বিদেশি আসলে চাকরি ও বাসস্থানের সংকট আরো বাড়বে।
তবে বর্তমানে বেকারত্বের হার খুব কম। ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বেকারত্ব ছিল মাত্র ১.৯ শতাংশ। যদিও একই সময়ে চাকরি হারানোর সংখ্যা বেড়ে যায়, যা ২০২০ সালের মহামারির পর সর্বোচ্চ।
সিঙ্গাপুর বলছে, আগামী পাঁচ বছরে প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে জন্মহার কমে যাওয়া ও দ্রুত বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যা মোকাবিলা করা হবে।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০২৬ সালে সিঙ্গাপুরে ৬৫ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৫ শতাংশ। ২০২৫ সালে এটি ছিল ১৮.৮ শতাংশ। আর ২০১৬ সালে ছিল মাত্র ১২.৪ শতাংশ।
অর্থনীতির দিক থেকেও সিঙ্গাপুর আশাবাদী। আগস্টে তারা ২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। আগে যেখানে ২ থেকে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আশা ছিল, এখন তা ৪.৫ থেকে ৫.৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত বেড়েছে।
logo-1-1740906910.png)