Logo
×

Follow Us

উত্তর আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে ৪.৫ মিলিয়ন অভিবাসীর তথ্য বিশ্লেষণ করল এপি

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৫৫

যুক্তরাষ্ট্রে ৪.৫ মিলিয়ন অভিবাসীর তথ্য বিশ্লেষণ করল এপি

গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা অভিবাসীদের মধ্যে প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন মানুষকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তারা আশ্রয় বা মানবিক কারণে ভিসা পেয়েছিলেন। এদের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

অভিবাসীরা সীমান্তে আটক হওয়ার পর আদালতে হাজিরা বা আইসিই অফিসে রিপোর্ট করার নোটিশসহ মুক্তি পান। অনেকেই অবৈধভাবে প্রবেশ করলেও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী আশ্রয়ের আবেদন করার অধিকার ছিল। ২০২৩ সালে অভিবাসন সংকট চরমে পৌঁছালে কেউ কেউ প্রথম শুনানির জন্য ১০ বছর অপেক্ষার নির্দেশ পান।

এপি জানতে চেয়েছিল, এত মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর কোথায় গেছেন। জানা যায়, সীমান্ত কর্মকর্তারা প্রত্যেক অভিবাসীর দেওয়া ঠিকানা রেকর্ড করেছেন।

২০২৫ সালের জুনে এপি ফ্রিডম অব ইনফরমেশন অ্যাক্টের আওতায় কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশনের (সিবিপি) কাছে আবেদন করে। তারা নাম বা পূর্ণ ঠিকানা চায়নি, শুধু জিপ কোড, জাতীয়তা ও বয়স-লিঙ্গের তথ্য চেয়েছিল।

দীর্ঘ আলোচনার পর সিবিপি ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত অবৈধভাবে প্রবেশ করা ৫.৬ মিলিয়ন মানুষের তথ্য দেয়। এতে জাতীয়তা, বয়স, লিঙ্গ, তারিখ, সীমান্ত সেক্টর এবং যুক্তরাষ্ট্রে গন্তব্যের জিপ কোড ছিল। এপি জিপ কোডবিহীন ও ডুপ্লিকেট বাদ দিয়ে সংখ্যা কমিয়ে আনে ৩.৬ মিলিয়নে।

পরে ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সিবিপি ওয়ান অ্যাপের মাধ্যমে প্রবেশ করা আরো ৮.৫ লাখ মানুষের তথ্য পাওয়া যায়। এগুলোও যাচাই করে এপি মোট সংখ্যা দাঁড় করায় ৪.৫ মিলিয়নে।

তথ্যে দেখা যায়, প্রায় এক লাখ অভিবাসীর ঠিকানা ছিল আইসিই ডিটেনশন সেন্টার বা কারাগারের জিপ কোডে। যেমন টেক্সাসের কার্নেস কাউন্টিতে ১৪ হাজার অভিবাসীর নাম ছিল, অথচ এলাকার জনসংখ্যা মাত্র ১৫ হাজার। এ ধরনের তথ্য আলাদা করে বাদ দেওয়া হয়।

কিছু জায়গায় অস্বাভাবিক সংখ্যা পাওয়া গেছে। ডালাসের একটি জিপ কোডে প্রায় ১৯ হাজার ভেনেজুয়েলান অভিবাসীর নাম ছিল, অথচ এলাকার জনসংখ্যা মাত্র ৫০ হাজার। ধারণা করা হচ্ছে, কেউ কেউ ঠিকানা দিলেও সেখানে কখনো থাকেননি। তবে এ ধরনের ঘটনা বিরল।

এপি গোপনীয়তার কারণে ১০ জনের কম অভিবাসীর তথ্য থাকা জিপ কোড প্রকাশ করেনি। সাংবাদিকরা তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে অভিবাসীদের জীবনযাত্রা নিয়ে প্রতিবেদন করেছেন। যেমন সল্ট লেক সিটি এলাকায় বহু ভেনেজুয়েলান অভিবাসী বসতি গড়েছেন। আবার সিনসিনাটি এলাকায় আফ্রিকা ও অন্যান্য মহাদেশের অভিবাসীরা বেশি গেছেন।

Logo