নিউজিল্যান্ড তাদের ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এনেছে। এবার কানাডা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা এক বছরের বদলে সর্বোচ্চ ২৩ মাস নিউজিল্যান্ডে থাকতে পারবেন। সাধারণত অন্য দেশের নাগরিকদের জন্য এই ভিসার মেয়াদ থাকে ১২ মাস।
নতুন নিয়মে কানাডা ও যুক্তরাজ্যের তরুণরা কাজ ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতা একসঙ্গে অর্জন করতে পারবেন। দীর্ঘ সময় থাকার সুযোগ তাদের স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে আরো গভীরভাবে যুক্ত করবে। একই সঙ্গে পেশাগত অভিজ্ঞতা অর্জনেরও সুযোগ বাড়বে।
নিউজিল্যান্ডের এই ভিসা মূলত দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। সাধারণত ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণরা আবেদন করতে পারেন। কিছু দেশের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর পর্যন্ত। ভিসাধারীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিউজিল্যান্ডে বসবাস ও কাজ করতে পারেন।
বাড়তি সময়ের সুবিধা নিতে হলে আবেদনকারীদের অবশ্যই সাধারণ যোগ্যতা পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে বয়সসীমা, পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণ, বৈধ পাসপোর্ট এবং স্বাস্থ্যগত যোগ্যতা। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের জে-১ ভিসার মতো শর্তও মানতে হবে।
নিউজিল্যান্ড বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়ার্কিং হলিডে গন্তব্য। বৈচিত্র্যময় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, কৃষি, হসপিটালিটি ও পর্যটন খাতে চাকরির সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ এটিকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
এই পরিবর্তন কানাডা ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের গভীর সম্পর্কের প্রতিফলন। দুই দেশের তরুণরা এখন আরো দীর্ঘ সময় নিউজিল্যান্ডে থেকে কাজ ও ভ্রমণ করতে পারবেন। অন্যদিকে বেশিরভাগ দেশের নাগরিকদের জন্য মেয়াদ এখনো ১২ মাসই থাকছে।
logo-1-1740906910.png)