Logo
×

Follow Us

এশিয়া

মালয়েশিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের অবদান বছরে ২০ বিলিয়ন রিঙ্গিত

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৮

মালয়েশিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের অবদান বছরে ২০ বিলিয়ন রিঙ্গিত

মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি শুধু উচ্চশিক্ষা খাতকেই নয়, পুরো অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে। এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্লোবাল সার্ভিসেস (ইএমজিএস)-এর প্রধান নির্বাহী নোভি তাজউদ্দিন জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশটিতে থাকা প্রায় ১৬৭ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন রিঙ্গিত অর্থনীতিতে যোগ করছে।

ইএমজিএসের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রত্যেক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী মাসে গড়ে প্রায় ১০ হাজার রিঙ্গিত ব্যয় করেন। এর মধ্যে রয়েছে টিউশন ফি, আবাসন, খাবার এবং অন্যান্য জীবনযাত্রার খরচ। ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, আশপাশের স্থানীয় ব্যবসা ও সেবা খাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছেন।

নোভি তাজউদ্দিন বলেন, “যদি তারা তেরেঙ্গানুর ইউনিসজা বা ইউএমটিতে পড়াশোনা করেন, তবে আশপাশের সম্প্রদায়ও সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হয়।” শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি স্থানীয় খাবারের দোকান, পরিবহন ও সেবা খাতকে সক্রিয় করে তুলছে।

মালয়েশিয়া এখন বিশ্বের ১৪টি শীর্ষ উচ্চশিক্ষা গন্তব্যের মধ্যে একটি হিসেবে স্বীকৃত। আগে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা ছিল আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রধান পছন্দ। এখন মালয়েশিয়াও সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে। নোভি বলেন, “এটি প্রমাণ করে আমরা বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষায় প্রতিযোগী হয়ে উঠেছি।”

গত তিন বছরে মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২৩ শতাংশ বেড়েছে। এটি প্রমাণ করে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। মালয়েশিয়া ২০৩৫ সালের মধ্যে ৫ লাখ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী আকর্ষণ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশটি বিশ্বের সাত থেকে আটটি অঞ্চলে গিয়ে উচ্চশিক্ষা প্রচার করছে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় উৎস দেশ হলো চীন, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান। অধিকাংশ শিক্ষার্থীই স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করছেন। তবে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন।

বিদেশি শিক্ষার্থীরা বলছেন, মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনা শুধু মানসম্মত নয়, খরচও তুলনামূলকভাবে কম। চিকিৎসাশিক্ষার মতো কোর্সে বছরে ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার মার্কিন ডলার খরচ হয়, যা ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক কম। একই সঙ্গে জীবনযাত্রার খরচও সাশ্রয়ী।

Logo