Logo
×

Follow Us

এশিয়া

অবৈধ ভিজিট পাস বাতিল; মালয়েশিয়ায় বিপাকে প্রবাসী কর্মীরা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৯:১৩

অবৈধ ভিজিট পাস বাতিল; মালয়েশিয়ায় বিপাকে প্রবাসী কর্মীরা

মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) অবৈধভাবে অনুমোদিত ১ হাজার ৩০৬টি অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস বাতিল করেছে। একই সঙ্গে এসব পাসধারী বিদেশি কর্মীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতির তথ্যও উঠে এসেছে।

৩১ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের সদর দপ্তরে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, মাইআইএমএমএস সিস্টেমে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে এসব ভিজিট পাস অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ফলে সরকারের কোনো রাজস্ব আসেনি। তাই অবিলম্বে পাসগুলো বাতিল করা হচ্ছে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সব অবৈধ পাস বাতিল করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের অবস্থান শনাক্ত করা হবে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছেন, তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি।

তিনি আরো জানান, সাইবার সিকিউরিটি মালয়েশিয়ার ফরেনসিক তদন্তে দেখা গেছে, সিস্টেম বাইরে থেকে হ্যাক হয়নি। বরং অভ্যন্তরীণ অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রবেশাধিকার ব্যবহার করেই অপব্যবহার করা হয়েছে। অভিযুক্তরা বিশেষ ধরনের ডংল ও সফটওয়্যার ব্যবহার করে প্রশাসনিক আইডি দিয়ে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে পাস অনুমোদন দেন।

মালয়েশিয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কমিশনার দাতুক সেরি আব্দ হালিম আমান জানান, অভিযানে মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন দুটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, তিনজন বিদেশি নাগরিক, ইমিগ্রেশন বিভাগের চার কর্মকর্তা, তথ্যপ্রযুক্তি শাখার দুই কর্মকর্তা এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, সন্দেহভাজনদের বয়স ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্নীতি দমন কমিশনের সদর দপ্তর ও পেনাং ইমিগ্রেশন দপ্তর থেকে তাদের আটক করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চক্রটি ২০১১ সালের কর্মী কোটার অপব্যবহার করে কোনো ধরনের লেভি পরিশোধ ছাড়াই ১ হাজার ৩০৬টি ভুয়া ভিজিট পাস ইস্যু করেছে। এতে মালয়েশিয়া সরকারের প্রায় ২৪ লাখ রিঙ্গিত রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।

অবৈধভাবে অনুমোদিত এসব পাস বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন অনেক প্রবাসী কর্মী। তারা বিভিন্ন খাতে কাজ করছিলেন। এখন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে চাকরি হারানোর পাশাপাশি দেশে ফেরত পাঠানোর ঝুঁকিও তৈরি হবে।

Logo