পর্তুগালে অভিবাসন নীতির কড়াকড়ি বাড়ানোয় আবাসন নির্মাণ খাতে শ্রমিক সংকট আরো গভীর হয়েছে। দেশটির সরকার সম্প্রতি অভিবাসন আইন কঠোর করেছে, যার ফলে বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে। এতে আবাসন নির্মাণ প্রকল্পগুলো বিলম্বিত হচ্ছে এবং বাজারে নতুন বাড়ি সরবরাহ কমে যাচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্তুগালের আবাসন খাতে বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের প্রয়োজন হলেও স্থানীয় শ্রমশক্তি পর্যাপ্ত নয়। ফলে অভিবাসী শ্রমিকদের ওপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু নতুন নিয়মে বিদেশি শ্রমিকদের প্রবেশ ও কাজের অনুমতি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে নির্মাণ খাতের উৎপাদনশীলতা কমে গেছে এবং প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ করা যাচ্ছে না।
শ্রমিক সংকটের কারণে আবাসন নির্মাণে বিলম্ব হওয়ায় বাজারে নতুন বাড়ির সরবরাহ কমে গেছে। এতে ভাড়া ও বাড়ির দাম বেড়ে গেছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে আবাসন সংকট তীব্র হয়েছে। নির্মাণ কোম্পানিগুলো বলছে, শ্রমিক সংকট সমাধান না হলে আবাসন খাতের সংকট আরো বাড়বে।
পর্তুগাল সরকার অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। বিদেশি শ্রমিকদের জন্য ভিসা ও কাজের অনুমতি পেতে এখন আরও বেশি নথি ও সময় লাগছে। এতে নিয়োগকর্তাদের জন্য প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে। অনেক কোম্পানি বলছে, এ ধরনের নিয়মে তারা শ্রমিক নিয়োগে নিরুৎসাহিত হচ্ছে।
আবাসন খাত পর্তুগালের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি। শ্রমিক সংকটের কারণে নির্মাণ খাতের প্রবৃদ্ধি কমে গেলে অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসন নীতি শিথিল না করলে আবাসন সংকট দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে।
logo-1-1740906910.png)