চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিদেশগামী ১৯৮ জন কম্বোডিয়ান নারীকে আটকে দিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ। সন্দেহ করা হচ্ছে, তারা মানব পাচারকারী দালালচক্রের ফাঁদে পড়তে যাচ্ছিলেন। চাকরির প্রলোভন বা বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের প্রলুব্ধ করা হয়েছিল।
কম্বোডিয়ার জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন জানিয়েছে, বিমানবন্দর ও সীমান্তে নিয়মিত তল্লাশি ও সাক্ষাৎকারে দেখা যায়, এসব নারীর বিদেশ যাওয়ার স্পষ্ট উদ্দেশ্য নেই। ফলে তাদের যাত্রা স্থগিত করা হয়।
মানব পাচার প্রতিরোধে জাতীয় কমিটি ফর কাউন্টার ট্রাফিকিংয়ের চেয়ারম্যান ও উপপ্রধানমন্ত্রী সার সোখা বলেছেন, দেশি-বিদেশি পাচারচক্র এখন আরো জটিল কৌশল ব্যবহার করছে। অনেক নারীকে বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ের প্রলোভন দেখানো হয়, আবার অনেককে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা শোষণের শিকার হন।
২০২৫ সালের বার্ষিক পর্যালোচনা সভার সমাপনী অনুষ্ঠানে সোখা বলেন, জনসচেতনতা বাড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আরো সক্রিয় হতে হবে। গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করে নাগরিকদের মানব পাচারের ঝুঁকি সম্পর্কে জানাতে হবে।
গত বছর প্রথম ছয় মাসে বিদেশে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৫ হাজারের বেশি কম্বোডিয়ানকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। একই সময়ে ১৮০ জন নারীকে পাচারচক্রের হাত থেকে উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তাদের বেশির ভাগই বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে প্রতারিত হয়েছিলেন।
logo-1-1740906910.png)