Logo
×

Follow Us

ইউরোপ

পোল্যান্ডে ওয়ার্ক পারমিটসহ স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৭

পোল্যান্ডে ওয়ার্ক পারমিটসহ স্থায়ী বসবাসের সুযোগ

ইউরোপে বসবাসের জন্য বিনিয়োগভিত্তিক গোল্ডেন ভিসা এখন ব্যয়বহুল ও সীমিত হয়ে পড়েছে। এর বিপরীতে পোল্যান্ড অভিবাসীদের জন্য কম খরচে চাকরিভিত্তিক রেসিডেন্সির সুযোগ দিচ্ছে। বিনিয়োগের পরিবর্তে চাকরির ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই মডেল দক্ষ ও অদক্ষ উভয় ধরনের কর্মীদের জন্য ইউরোপে প্রবেশের পথ খুলে দিয়েছে।

পোল্যান্ডের এই মডেল মূলত কাজের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) পাওয়ার মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর জাতীয় ডি ভিসা নিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করা যায়। দীর্ঘমেয়াদি থাকার জন্য দেওয়া হয় অস্থায়ী রেসিডেন্স পারমিট। ফলে অভিবাসীরা বড় অঙ্কের বিনিয়োগ ছাড়াই ইউরোপে বসবাস ও কাজের সুযোগ পান।

গোল্ডেন ভিসা পেতে সাধারণত বিপুল অর্থ সম্পত্তি বা তহবিলে বিনিয়োগ করতে হয়। কিন্তু পোল্যান্ডের চাকরিভিত্তিক মডেলে কোনো ন্যূনতম বিনিয়োগের শর্ত নেই। বরং চাকরির যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাই মূল বিবেচ্য। এ কারণে এটি দক্ষ পেশাজীবী, উদ্যোক্তা ও বৈশ্বিকভাবে কর্মসংস্থান খুঁজে বেড়ানোদের জন্য আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

গ্যারান্ট আইএনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আন্দ্রি বোইকো বলেন, “পোল্যান্ডের চাকরিভিত্তিক রেসিডেন্সি মডেল বিনিয়োগ ছাড়াই ইউরোপে প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে। দক্ষ ও অদক্ষ কর্মীদের জন্য এটি আর্থিক বাধা কমিয়ে দিয়েছে।”

চাকরিভিত্তিক রেসিডেন্সি মডেল অভিবাসীদের জন্য শুধু কাজের সুযোগই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে ইউরোপে স্থায়ী হওয়ার পথও তৈরি করছে। বৈধ চাকরি ও রেসিডেন্স পারমিট ধরে রাখলে ধীরে ধীরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।

এই মডেল অভিবাসীদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী কারণ এতে কোনো বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করতে হয় না। যারা ইউরোপে কাজ করতে চান কিন্তু গোল্ডেন ভিসার মতো ব্যয়বহুল পথে যেতে সক্ষম নন, তাদের জন্য পোল্যান্ডের চাকরিভিত্তিক রেসিডেন্সি একটি বাস্তবসম্মত বিকল্প। এতে দক্ষ কর্মী থেকে শুরু করে উদ্যোক্তা পর্যন্ত সবাই সুযোগ পাচ্ছেন।

Logo