Logo
×

Follow Us

এশিয়া

দক্ষিণ কোরিয়ায় ডিজিটাল নোম্যাড ভিসা চালু

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০২

দক্ষিণ কোরিয়ায় ডিজিটাল নোম্যাড ভিসা চালু

দক্ষিণ কোরিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে তাদের নতুন ডিজিটাল নোম্যাড ভিসা, যা বিদেশি কর্মীদের জন্য আরো সহজ শর্তে পাওয়া যাবে। এ ভিসার নাম F-1-D, বা “ওয়ার্কেশন ভিসা”। এটি বিদেশি নাগরিকদের কোরিয়ায় বসবাসের সুযোগ দেয়, যেখানে তারা নিজ দেশের কোম্পানির হয়ে দূর থেকে কাজ করতে পারবেন। প্রচলিত কর্ম ভিসার মতো কোরিয়ান নিয়োগকর্তার সঙ্গে চাকরির শর্ত এখানে নেই।

দ্য কোরিয়া হেরাল্ড পত্রিকায় বলা হয়েছে, এই কর্মসূচি ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে চালু ছিল। নতুন নিয়মে আয়ের শর্ত আরো নমনীয় করা হয়েছে, যাতে ভিসাটি বিদেশি কর্মীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়।

আগে আবেদনকারীদের কোরিয়ার মাথাপিছু জাতীয় আয়ের দ্বিগুণ আয় থাকতে হতো। এখন বয়স ও বসবাসের জায়গার ওপর নির্ভর করে শর্ত কমানো হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী আবেদনকারীরা যদি সিউল, ইনচন বা গিয়ংগি প্রদেশের বাইরে বসবাস করেন, তবে তাদের শুধু গত বছরের মাথাপিছু জাতীয় আয় সমান আয় থাকলেই যোগ্য হবেন। ২০২৫ সালে কোরিয়ার মাথাপিছু জাতীয় আয় ছিল ৩৬ হাজার ৯৬৩ ডলার।

আগে সর্বোচ্চ দুই বছর থাকার অনুমতি দেওয়া হতো। নতুন নিয়মে তা বাড়িয়ে তিন বছর করা হয়েছে। ফলে বিদেশি কর্মীরা দীর্ঘ সময় ধরে কোরিয়ায় বসবাস ও কাজের সুযোগ পাবেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিচারমন্ত্রী জুং সুং-হো বলেছেন, “ডিজিটাল নোম্যাড ভিসার উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সৃজনশীল প্রতিভাদের জন্য কোরিয়ায় কাজ ও বসবাসের সুযোগ তৈরি করা।” তিনি আরো বলেন, “আমরা এমন একটি মডেল তৈরি করতে চাই, যাতে দক্ষ ব্যক্তিরা এখানে এসে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন এবং কোরিয়ার জন্য মূল্যবান সম্পদে পরিণত হন।”

দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন ডিজিটাল নোম্যাড ভিসা বিদেশি কর্মীদের জন্য এক বড় সুযোগ। কম আয়ের শর্ত, দীর্ঘ মেয়াদে থাকার সুযোগ এবং নমনীয় নিয়মের কারণে এটি তরুণ প্রজন্ম ও দূর থেকে কাজ করা পেশাজীবীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। কোরিয়ার শ্রমবাজারে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি দেশটির অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Logo