Logo
×

Follow Us

বিশ্ব

কেপ ভার্দে যেতে ভিসা লাগবে বাংলাদেশিদের

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০২:৫১

কেপ ভার্দে যেতে ভিসা লাগবে বাংলাদেশিদের

আফ্রিকার পশ্চিম উপকূলের ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত লড়াই করে আলোচনায় এসেছে। তবে দেশটিতে ভ্রমণ করতে চাইলে বাংলাদেশিদের জন্য এখন নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। আগে হেনলি পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশি নাগরিকরা আগাম ভিসা ছাড়াই কেপ ভার্দে যেতে পারতেন। কিন্তু দেশটির সরকারি অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৯১টি দেশের নাগরিকদের কেপ ভার্দেতে প্রবেশ, ট্রানজিট বা বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতির আগে অবশ্যই ভিসা নিতে হবে।

অর্থাৎ বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকরা আগাম ভিসা ছাড়া কেপ ভার্দে ভ্রমণ করতে পারবেন না। ভিসা ছাড়া পৌঁছালে প্রবেশ বা ট্রানজিটের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হবে। সরকারি নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় ভিসা সংগ্রহের জন্য আবেদনকারীদের নিজ দেশের নিকটতম কেপ ভার্দের দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে। তবে বাংলাদেশে কেপ ভার্দের কোনো দূতাবাস নেই। ফলে বাংলাদেশি নাগরিকদের সাধারণত তৃতীয় কোনো দেশে অবস্থিত দূতাবাস থেকে ভিসা সংগ্রহ করতে হয়।

২০২৪ সালে পর্যটক কাজী আসমা আজমেরী সেনেগালে অবস্থানকালে সেখানকার কেপ ভার্দে দূতাবাস থেকে ছয় মাস মেয়াদি ভিসা নিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত দেশটিতে যাওয়া হয়নি। তিনি জানান, মালি হয়ে কেপ ভার্দে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে ফ্লাইট বাতিল হয়ে যাওয়ায় ভ্রমণ পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হয়।

কেপ ভার্দে আয়তনে ছোট হলেও ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে ছড়িয়ে থাকা আগ্নেয় দ্বীপগুলোতে রয়েছে সমুদ্রসৈকত, আগ্নেয়গিরি, ক্রেওল সংস্কৃতি ও সংগীতের অনন্য সমাহার। পর্যটকদের কাছে দেশটি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

বাংলাদেশ থেকে কেপ ভার্দেতে সরাসরি কোনো ফ্লাইট নেই। সাধারণত ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে প্রথমে আদ্দিস আবাবায় গিয়ে সেখান থেকে সেনেগাল হয়ে কেপ ভার্দে পৌঁছানো যায়। এছাড়া পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মাধ্যমে ট্রানজিট নিয়েও দেশটিতে ভ্রমণ করা সম্ভব।

কেপ ভার্দে ভ্রমণের আগে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবশ্যই আগাম ভিসা নিতে হবে। হেনলি সূচকের তথ্যের সঙ্গে সরকারি নির্দেশনার পার্থক্য থাকায় ভ্রমণ পরিকল্পনার আগে সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ ভিসানীতি যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

Logo