ছবি - এআই দিয়ে বানানো
বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ মূল্যায়নে চলতি বছরে পাঁচটি দেশ নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ থেকে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। দেশগুলো হলো শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, জর্ডান ও মাইক্রোনেশিয়া। এছাড়া আফ্রিকার টোগো নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি, দেশটি এখনো নিম্নমধ্যম আয়ের তালিকায় রয়েছে।
বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে সদস্যভুক্ত ২১৮টি দেশ ও অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে মাথাপিছু আয় অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাস করে। নতুন সীমা অনুযায়ী, নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে যেতে মাথাপিছু আয় কমপক্ষে ১,১৭৫ ডলার হতে হবে। নিম্নমধ্যম থেকে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে যেতে আয় হতে হবে কমপক্ষে ৪,৬৩৫ ডলার। আর উচ্চ আয়ের দেশে যেতে হলে মাথাপিছু আয় ১৪,৩৭৫ ডলার হতে হবে।
ভিয়েতনাম রপ্তানিনির্ভর অর্থনৈতিক মডেলের ওপর ভর করে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দেশটির রপ্তানি আয় ১৫ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সময়ে জিডিপি বেড়েছে ৭ ও ৮ শতাংশ। ধারাবাহিকভাবে জাতীয় আয় বৃদ্ধির ফলে দেশটি উচ্চমধ্যম আয়ের তালিকায় পৌঁছেছে।
ফিলিপাইন অর্থনীতির প্রায় সব খাতেই উন্নতি করেছে। গত পাঁচ বছরে দেশটির জিডিপি গড়ে বছরে ৫.৮ শতাংশ হারে বেড়েছে। শিল্প, সেবা ও কৃষি; সব খাতেই উন্নতির প্রতিফলন দেখা গেছে।
শ্রীলঙ্কা ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ২০২৫ সালে দেশটির জিডিপি ৫ শতাংশ বেড়েছে। শিল্প, আর্থিক সেবা ও পর্যটন খাতের পুনরুদ্ধার এই প্রবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
মাইক্রোনেশিয়া ধীরগতিতে হলেও স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। নির্মাণ ও কৃষি খাত ছিল প্রধান চালিকা শক্তি। কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে দেশটি ধীরে ধীরে এগিয়েছে।
জর্ডান জাতীয় হিসাব পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে অর্থনীতির আকার প্রায় ১০ শতাংশ বড় হয়েছে। এর সঙ্গে ২০২৫ সালে ২.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যুক্ত হওয়ায় দেশটি নতুন আয়ের শ্রেণিতে উন্নীত হয়েছে।
টোগো জনসংখ্যার নতুন হিসাবের কারণে নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০২২ সালের আদমশুমারির পর জনসংখ্যা ১১.৭ শতাংশ কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়। ফলে মাথাপিছু আয় বেড়ে যায়।
logo-1-1740906910.png)