Logo
×

Follow Us

উত্তর আমেরিকা

অভিবাসন আটক নীতিতে সুপ্রিম কোর্টের সমর্থন চাইল ট্রাম্প প্রশাসন

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৪২

অভিবাসন আটক নীতিতে সুপ্রিম কোর্টের সমর্থন চাইল ট্রাম্প প্রশাসন

ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করেছে যেন অভিবাসন অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিদের বন্ড শুনানির সুযোগ ছাড়াই আটক রাখার নীতি কার্যকর করা যায়। শুক্রবার প্রকাশিত এক আবেদনে সরকার জানায়, তারা চায় আদালত ফেডারেল আপিল আদালতের মে মাসের রায় বাতিল করুক, যেখানে সরকারের এই ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।

প্রশাসন যুক্তি দিয়েছে, অবৈধভাবে প্রবেশ করে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা ব্যক্তিরাও “আবেদন ফেরত” হিসেবে গণ্য হবেন এবং তাদের বাধ্যতামূলকভাবে আটক রাখা যাবে। এর ফলে অভিবাসন আদালতে মামলার শুনানি চলাকালে তারা বন্ড শুনানির সুযোগ পাবেন না।

যুক্তরাষ্ট্রের সলিসিটর জেনারেল ডি জন সাওয়ার আদালতে বলেন, “অবৈধভাবে প্রবেশ করা বিদেশিদের আটক রাখা তাদের শুনানি এড়ানো থেকে বিরত রাখে এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের বহিষ্কার নিশ্চিত করে।” তিনি এটিকে অভিবাসন আইনের একটি “গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন” হিসেবে উল্লেখ করেন, যা হাজারো মামলার জন্ম দিয়েছে।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি গত বছর থেকে এই নতুন ব্যাখ্যা গ্রহণ করে। বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলসও একই সিদ্ধান্ত দেয়। ফলে দেশজুড়ে অভিবাসন বিচারকরা বাধ্যতামূলক আটকাদেশ দিতে শুরু করেন।

সিনসিনাটি-ভিত্তিক ষষ্ঠ সার্কিট কোর্ট অব আপিলসের একটি প্যানেল সম্প্রতি রায় দেয় যে, প্রশাসন ১৯৯৬ সালের অভিবাসন আইন ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছে। মেক্সিকো, এল সালভাদর, ভেনেজুয়েলা, নিকারাগুয়া ও গুয়াতেমালার নাগরিকদের মামলায় আদালত জানায়, দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করা ব্যক্তিদের বন্ড শুনানি না দেওয়া তাদের সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন।

এর আগে সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনকে অভিবাসন নীতিতে দুটি বড় জয় দিয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে হাইতি ও সিরিয়ার হাজারো অভিবাসীর সুরক্ষা বাতিলের অনুমতি। তবে বিভিন্ন আদালত সরকারের আটক নীতি প্রত্যাখ্যান করায় বিষয়টি এখন সুপ্রিম কোর্টে গড়িয়েছে।

সরকার বলছে, বাধ্যতামূলক আটক অভিবাসন ব্যবস্থাপনা সহজ করবে। অন্যদিকে আদালত ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো মনে করছে, এটি দীর্ঘদিনের বাসিন্দাদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন করবে। এখন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আটক নীতি কোন পথে এগোবে।

Logo