Logo
×

Follow Us

বিশ্ব

বিশ্বকাপে অভিবাসী ফুটবলারদের চমক

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১০:৪১

বিশ্বকাপে অভিবাসী ফুটবলারদের চমক

২০২৬ বিশ্বকাপে যেন অভিবাসী ফুটবলারদের জয়জয়কার। সুইডেনের ইয়াসিন আয়ারি তিউনিসিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করেও উদযাপন করতে পারেননি, বরং পিতৃভূমির বিপক্ষে গোল করায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র দলের নাইজেরিয়ান বংশোদ্ভূত ফোলারিন বালোগান দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে সহ-স্বাগতিকদের নকআউট পর্বে তুলেছেন।

ফ্রান্স দলের উসমান দেম্বেলে দ্রুততম হ্যাটট্রিক করে গোল্ডেন বুটের অন্যতম দাবিদার হয়েছেন। তার সঙ্গে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে, যিনি ক্যামেরুন ও আলজেরিয়ান বংশোদ্ভূত, চার গোল করে সর্বকালের সেরা গোলদাতাদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন।

কানাডার জোনাথন ডেভিড, হাইতিয়ান মা-বাবার সন্তান, তিন গোল করে দেশকে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে তুলেছেন। জার্মানির দেনিজ উনদাভ তিন গোল ও দুটি অ্যাসিস্টে আলো ছড়াচ্ছেন। মরক্কোর ইসমাইল সাইবারি, নেদারল্যান্ডসের ব্রায়ান ব্রবি ও সুইজারল্যান্ডের জোনাথন মানজাম্বি প্রত্যেকে তিন গোল করে নিজেদের জাত চিনিয়েছেন। সেনেগালের ইব্রাহিম এমবায়ে ও অস্ট্রেলিয়ার নেস্টোরি ইরানকুন্ডাও দলের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি।

আফ্রিকার দলগুলো এবার বিশ্বকাপে রূপকথা রচনা করেছে। মরক্কো, কেপ ভার্দে, সেনেগালসহ ১০ দলের মধ্যে সাতটি নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। মরক্কোর ২৬ সদস্যের দলে ১৯ জনই অভিবাসী। কুরাসাওয়ের ২৫ জনের মধ্যে ২৫ জনই নেদারল্যান্ডসে জন্ম নেওয়া। কঙ্গোর ২২, বসনিয়ার ১৯, কেপ ভার্দের ১৪, সেনেগালের ১২, ক্রোয়েশিয়ার ১১, ঘানার ৮ এবং কানাডা, নিউজিল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের সাতজন করে অভিবাসী ফুটবলার রয়েছেন।

এশিয়ার শক্তিশালী দল জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও অভিবাসী ফুটবলার দিয়ে দল সাজিয়েছে। ফলে এবারের বিশ্বকাপ শুধু ফুটবল প্রতিযোগিতা নয়, বরং অভিবাসনের গল্পও বলছে। মাঠে প্রতিটি গোল, প্রতিটি জয় যেন অভিবাসী জীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের প্রতীক হয়ে উঠছে।

Logo