কানাডায় বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে প্রবাসীদের মাঝে আনন্দ-উচ্ছ্বাস
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৮:০১
উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডায় শুরু হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬। দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্থানীয় সময় ১১ জুন উদ্বোধন হবে “দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ”। আয়োজক দেশ হিসেবে কানাডার জন্য এটি এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা, আর প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য যোগ হবে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের নতুন মাত্রা।
টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে একাধিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ভিড় জমেছে। বিদেশি দর্শকদের মধ্যে বাংলাদেশিরাও রয়েছেন। প্রিয় দলের পক্ষে সমর্থন, উন্মাদনা আর উত্তেজনায় এক মাসেরও বেশি সময় কাটবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের।
কানাডা সরকার বিশ্বকাপ উপলক্ষে ঘোষণা করেছে “Canada Welcomes the World” স্লোগান। দেশটির ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী অ্যাডাম ভ্যান কুভারডেন বলেছেন, “এটি শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, বরং বিশ্বের মানুষের মিলনমেলা।”
এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল, যা বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আয়োজন হতে যাচ্ছে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজকের দায়িত্ব পালন করছে। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই মহাযজ্ঞ।
কানাডার টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভার শহরে মোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক দেশ ইতোমধ্যেই নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটন ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে।
প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে এবারের বিশ্বকাপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। স্বাগতিক দেশ হিসেবে কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিরা সরাসরি মাঠে গিয়ে বিশ্বসেরাদের খেলা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। তাদের জন্য এটি শুধু ক্রীড়া উৎসব নয়, বরং প্রবাস জীবনে আনন্দ ও গর্বের এক অনন্য মুহূর্ত।
টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে ম্যাচ আয়োজনের কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরো বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন, প্রিয় দলের পতাকা নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বিশ্বকাপকে ঘিরে কানাডায় পর্যটন খাতও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ঢল নামায় হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও পরিবহন খাতে ব্যস্ততা বেড়েছে। স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
logo-1-1740906910.png)