Logo
×

Follow Us

বিশ্ব

বিশ্বকাপ মাতাবেন যে অভিবাসী ফুটবলাররা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০২

বিশ্বকাপ মাতাবেন যে অভিবাসী ফুটবলাররা

২০২৬ বিশ্বকাপে অভিবাসী ফুটবলারদের উপস্থিতি এবার নজরকাড়া। মোট ৪৮ দলের ১ হাজার ২৪৮ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ২৮৯ জন জন্মভূমির হয়ে খেলবেন না। তারা অন্য দেশের হয়ে মাঠে নামবেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এ প্রবণতা নতুন নয়, তবে এবারের আসরে সংখ্যাটা অনেক বেশি।

আফ্রিকার দেশগুলোতে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, সেনেগাল, আইভরিকোস্ট, ঘানা, কেপ ভার্দে এবং কঙ্গোর স্কোয়াডে বিপুলসংখ্যক খেলোয়াড় ইউরোপে জন্মেছেন। বিশেষ করে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও স্পেনে জন্ম নেওয়া ফুটবলাররা তাদের পরিবারের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। মরক্কোর আশরাফ হাকিমি জন্মেছেন স্পেনে, অথচ খেলছেন মরক্কোর হয়ে।

প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া কুরাসাও দলটি ব্যতিক্রমী। তাদের ২৬ জন খেলোয়াড়ের মধ্যে ২৫ জনের জন্ম নেদারল্যান্ডসে। একমাত্র তাহিথ চং জন্মেছেন কুরাসাওয়ে, তবে তার ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছে ইউরোপে। ঐতিহাসিকভাবে কুরাসাও নেদারল্যান্ডসের অংশ হওয়ায় এই সম্পর্ক স্পষ্ট।

কঙ্গোর বিশ্বকাপ দলে ২০ জন খেলোয়াড়ের জন্ম কঙ্গোতে নয়। মরক্কোর দলে এমন খেলোয়াড়ের সংখ্যা ১৯ জন। বসনিয়ার দলে ১৭ জন, হাইতি ও আলজেরিয়ার দলে ১৬ জন করে খেলোয়াড় জন্মভূমির বাইরে জন্মেছেন।

এই প্রবণতা শুধু আফ্রিকায় সীমাবদ্ধ নয়। আর্জেন্টিনার জুলিয়ানো সিমিওনে জন্মেছেন ইতালিতে, নিকো পাজ জন্মেছেন স্পেনে। তাদের বাবারা ইউরোপে খেলতে গিয়ে সেখানে পরিবার গড়েছিলেন। আবার আর্জেন্টিনা থেকেও অন্য দেশের দলে খেলোয়াড় গিয়েছে। সান্তিয়াগো হিমেনেজ খেলছেন মেক্সিকোর হয়ে, হুয়ান হোসে কাসেরেস ও আলেহান্দ্রো রোমেরো গামারো খেলছেন প্যারাগুয়ের হয়ে, হার্নান গালিন্দেজ খেলছেন ইকুয়েডরের হয়ে এবং ফার্নান্দো মুসলেরা খেলছেন উরুগুয়ের হয়ে।

এসব খেলোয়াড়ের অনেকেই অভিবাসী পরিবারের সন্তান বা নাতি-নাতনি। তারা ইউরোপে বেড়ে উঠেছেন, সেখানেই ফুটবলের শিক্ষা নিয়েছেন। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তারা পরিবারের জন্মভূমিকে প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে ফুটবলের সঙ্গে অভিবাসন ও পরিচয়ের সম্পর্ক স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

Logo