Logo
×

Follow Us

এশিয়া

কম খরচে থাইল্যান্ড ভ্রমণের এখন অফ-পিক সিজন

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ১৯:১৬

কম খরচে থাইল্যান্ড ভ্রমণের এখন অফ-পিক সিজন

থাইল্যান্ড মানেই শুধু সমুদ্রসৈকত আর রাতের জীবন নয়। দেশটির আসল মাধুর্য লুকিয়ে আছে স্থানীয় জনজীবন, নদীপথ আর খাবারের স্বাদে। জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত থাইল্যান্ডের অফ-পিক সিজন, যা বর্ষাকাল হিসেবে পরিচিত। এ সময়ে পাহাড় আর জঙ্গল সতেজ ও সবুজ হয়ে ওঠে। ভিড় এড়িয়ে সাশ্রয়ী মূল্যে ভ্রমণের জন্য এটি হতে পারে সেরা সময়। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে বৃষ্টির প্রকোপ কিছুটা বাড়লেও হোটেল ও ফ্লাইটে আকর্ষণীয় ছাড় পাওয়া যায়। যারা বর্ষার সতেজ প্রকৃতি ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি এক অনন্য সুযোগ।

ব্যাংককের কোলাহল থেকে দূরে গিয়ে থনপুরি ক্যানেল ভ্রমণ হতে পারে দারুণ অভিজ্ঞতা। দুই ঘণ্টার লং-টেইল নৌকাভ্রমণে চোখে পড়বে নদীর ধারের স্থানীয় জীবন, ছোট-বড় মন্দির আর নদীকেন্দ্রিক ঘরবাড়ি। এটি ব্যাংককের আদি রূপকে কাছ থেকে অনুভব করার সুযোগ দেয়। পথে ঐতিহ্যবাহী থাই কফির স্বাদ নিতে ভুলবেন না।

চিয়াং মাইয়ে রান্নার শখ পূরণ করতে পারেন একটি কুকিং সেশনে অংশ নিয়ে। ছয় ঘণ্টার এই সেশনে শিখতে পারবেন ১০টির বেশি স্থানীয় রেসিপি। সকালের সেশন বেছে নিলে স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখার সুযোগও থাকবে। বাজার থেকে টাটকা উপকরণ সংগ্রহ করে নিজের হাতে রান্না করা খাবার হয়ে উঠবে এক সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা।

ব্যাংককের রাতজাগা খাবারের দোকানগুলোতে টুকটুকে চড়ে স্ট্রিট ফুডের খোঁজে বেরিয়ে পড়া এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। রাতে আলোকোজ্জ্বল মন্দির, স্থানীয় বাজার আর ঐতিহাসিক স্থানগুলো দিনের চেয়ে ভিন্ন ও মোহনীয় মনে হয়।

ফুকেট মানেই শুধু সমুদ্রসৈকত নয়। স্থানীয় রেস্তোরাঁগুলোর খাবারের স্বাদে ফুকেটের সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস চেনা যায়। ফুড ট্যুরে অংশ নিয়ে ১৫টির বেশি আইটেম চাখার সুযোগ পাওয়া যায়, যা ফুকেটের আড়ালে থাকা আসল পরিচয় তুলে ধরে।

ব্যাংককে চাইলে ব্যক্তিগত গাইড নিয়ে নিজের মতো করে দিন সাজাতে পারেন। মন্দির দর্শন, ফটোগ্রাফি কিংবা স্থানীয় বাজারে সময় কাটানো; সবই থাকবে আপনার ইচ্ছার ওপর। নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ না করে স্বাধীনভাবে ভ্রমণই হবে মূল আকর্ষণ।

ক্রাবির টাইগার কেভ টেম্পলে ১ হাজার ২৬০ সিঁড়ি ভেঙে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে সোনালি বুদ্ধের দর্শন পাওয়া যায়। ফ্লোটিং মার্কেটে নৌকায় চড়ে ভাসমান বাজার ঘুরে দেখা এবং স্থানীয় খাবার চাখা আজীবন মনে রাখার মতো অভিজ্ঞতা। ব্যাংককের রাজাদামনার্ন স্টেডিয়ামে সরাসরি মুয়ে থাই বক্সিং দেখা ভ্রমণে ভিন্নমাত্রা যোগ করবে। আর ফং না বে-তে চুনাপাথরের গুহায় ক্যানো চালানো এবং রাতে সমুদ্রের নীল বায়োলুমিনেসেন্ট প্লাঙ্কটন দেখা এক জাদুকরি মুহূর্ত তৈরি করে।

Logo