Logo
×

Follow Us

এশিয়া

বিদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা সহজ করল কোরিয়া

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ০৯:২৬

বিদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা সহজ করল কোরিয়া

কোরিয়া তাদের ক্রমশ সংকুচিত শ্রমবাজার সামাল দিতে এবং বিশ্বে সাংস্কৃতিক প্রভাব বিস্তার করতে বিদেশি কর্মীদের জন্য ভিসা ও আবাসন সংক্রান্ত নিয়ম শিথিল করেছে। বিচার মন্ত্রণালয় ৪ এপ্রিল জানিয়েছে, নতুন নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন খাতে বিদেশি কর্মী ও শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ বাড়ানো হবে। 

দেশটির জনপ্রিয় দৈনিক দি কোরিয়া টাইমস জানিয়েছে, সবচেয়ে আলোচিত পদক্ষেপ হলো ডি-৪ কোরিয়ান কুলিনারি ট্রেইনি ভিসা সহজ করা। আগে অভিজ্ঞতা ও ভাষাগত দক্ষতার শর্ত থাকলেও এখন তা শিথিল করা হয়েছে। বিশেষ করে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত “সুরা একাডেমি” প্রোগ্রামে ভর্তি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা সহজেই এ ভিসা পাবেন। এর মাধ্যমে কোরিয়ান খাবার ‘হানশিক’ বিশ্বে আরও জনপ্রিয় করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

ভিসা ও রেসিডেন্সি পলিসি কাউন্সিলের তৃতীয় অধিবেশনে ছয়টি মন্ত্রণালয় ও দুইটি আঞ্চলিক সরকারের প্রস্তাবের মধ্যে আটটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিল্প খাতে শ্রম সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ। বিশেষ করে ফাউন্ড্রি শিল্পে দক্ষ কর্মীর অভাব দূর করতে নতুন ই-৭-৩ ভিসা চালু হচ্ছে। এতে মোল্ড তৈরির কাজকে নতুন পেশা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং বছরে ১৫০ জন কর্মী নেওয়ার কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জেজু দ্বীপে ভিসামুক্তভাবে প্রবেশ করা বিদেশিদের জন্য থাকার মেয়াদ ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৯০ দিন করা হয়েছে। তবে এর জন্য জেজু গভর্নরের সুপারিশ প্রয়োজন হবে। এ পদক্ষেপ মূলত “ওয়ার্ককেশন” বা দূর থেকে কাজ করা বিদেশি কর্মীদের আকৃষ্ট করতে নেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙা করবে।

উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের জন্যও নিয়ম সহজ করা হয়েছে। বিদেশে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা বিজ্ঞান ও প্রকৌশল স্নাতকদের জন্য ই-৭-১ ভিসার এক বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জেজুর ইংলিশ এডুকেশন সিটির আন্তর্জাতিক স্কুলগুলোতে ডি-৪ ভিসার সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। এমনকি ওইসিডি দেশগুলোর উচ্চমাধ্যমিক পাস শিক্ষার্থীদের জন্য গ্যাপ-ইয়ার প্রোগ্রামের মাধ্যমে কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পথ তৈরি করা হয়েছে।

বিচারমন্ত্রী জুং সুং-হো বলেছেন, “আমরা মাঠের অভিজ্ঞতা শুনব এবং সেই অনুযায়ী ভিসা ও অভিবাসন নীতি পরিবর্তন করব, যাতে শিল্প ও জনসংখ্যাগত কাঠামোর পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা যায়।”

Logo