পর্তুগাল বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ দেশ হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক গ্লোবাল পিস ইনডেক্সে দেশটি সপ্তম স্থানে রয়েছে। সহিংস অপরাধের হার অত্যন্ত কম হলেও প্রবাসী পরিবারদের জন্য শহরভেদে নিরাপত্তার পরিস্থিতি বোঝা জরুরি।
জাতীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রতি এক হাজার বাসিন্দার মধ্যে প্রায় ৩৫টি অপরাধের ঘটনা ঘটেছে, যা পশ্চিম ইউরোপের মানদণ্ডে মাঝারি। তবে এর বেশির ভাগই অ-সহিংস অপরাধ; যেমন- পকেটমারি, ছোটখাটো চুরি, ভাঙচুর ও মাঝে মাঝে বাড়িঘরে চুরি। সহিংস অপরাধের হার ক্রমেই কমছে।
গবেষণা ও স্থানীয় নিরাপত্তা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রবাসী পরিবারদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ শহরগুলো হলো:
ক্যাসকাইস ও ওইরাস (লিসবন মেট্রোপলিটন এলাকা): পর্যটন চাপ তুলনামূলকভাবে কম, পরিবারমুখী আবাসিক এলাকা ও আন্তর্জাতিক স্কুল রয়েছে। অপরাধ মূলত গাড়ি ভাঙচুর বা মৌসুমি পকেটমারি।
পোর্তো: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হলেও পর্যটন চাপ কম। সহিংস অপরাধ বিরল, বেশির ভাগই ছোটখাটো চুরি বা নাইটলাইফ-সংক্রান্ত ঝামেলা।
ব্রাগা ও গুইমারায়েস: উত্তরাঞ্চলের এই শহরগুলোতে অপরাধের হার জাতীয় গড়ের নিচে। স্থিতিশীল জনসংখ্যা ও কম পর্যটন চাপ নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।
কোইম্ব্রা: বিশ্ববিদ্যালয় শহর হওয়ায় কিছু এলাকায় নাইটলাইফ-সংক্রান্ত ঝুঁকি থাকলেও পরিবারমুখী আবাসিক এলাকায় অপরাধের হার কম।
ফুনচাল (মাদেইরা দ্বীপ): পর্যটন এলাকা হলেও স্থানীয় সম্প্রদায়ের স্থিতিশীলতা ও শক্তিশালী পুলিশি উপস্থিতি নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
পর্তুগালের ছোট ও মাঝারি শহরগুলোতে অপরাধের হার বড় শহরের তুলনায় কম। প্রবাসী পরিবারদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ, শিক্ষা সুবিধা ও স্থিতিশীল জীবনযাত্রা এসব শহরকে আকর্ষণীয় করে তুলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকায় পকেটমারি ও ছোটখাটো অপরাধ বেশি হলেও সহিংস অপরাধের ঝুঁকি অত্যন্ত কম।
logo-1-1740906910.png)