Logo
×

Follow Us

এশিয়া

থাইল্যান্ডে পর্যটন খাতে নতুন পরিকল্পনা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৯

থাইল্যান্ডে পর্যটন খাতে নতুন পরিকল্পনা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে থাইল্যান্ডের পর্যটন খাত ধাক্কা খেয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় থাইল্যান্ড ট্যুরিজম অথরিটি (টিএটি) নতুন প্রণোদনা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা শিগগিরই মন্ত্রিসভায় প্রস্তাব পাঠাবে, যাতে স্বল্প দূরত্বের বাজার ও দেশীয় পর্যটনকে উৎসাহিত করা যায়। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের সঙ্গে যৌথভাবে একটি “ওয়ার রুম” গঠন করা হবে।  

টিএটি গভর্নর থাপানি কিয়াতফাইবুল জানান, থাইল্যান্ডকে নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। এজন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ১৩ মার্চ টিএটি ও বেসরকারি পর্যটন ব্যবসায়ীরা বৈঠক করে যুদ্ধের প্রভাব মূল্যায়ন করেছেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ভবিষ্যতে একটি পর্যটন ওয়ার রুম গঠন করা হবে, যা ফ্লাইট সক্ষমতা, তেলের দাম, ভ্রমণ ব্যয়সহ নানা বিষয় পর্যবেক্ষণ করবে।

তিনি আরো জানান, সরকারের বিদ্যমান যৌথ ব্যবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে মন্ত্রিসভায় বিভিন্ন প্রোগ্রাম প্রস্তাব করা হবে। গত বছরের “সামার ব্লাস্ট চায়না অ্যান্ড ওভারসিজ” প্রকল্পে যে বাজেট অবশিষ্ট আছে, তা নতুনভাবে ব্যবহার করা হবে। এবার শুধু চীন নয়, দীর্ঘ দূরত্বের বাজারেও সরাসরি ভ্রমণ উৎসাহিত করা হবে।  

টিএটি একটি বিশেষ প্রণোদনা কর্মসূচি প্রস্তাব করছে, যেখানে বিদেশি পর্যটকরা আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বুক করলে বিনামূল্যে দেশীয় ফ্লাইট সুবিধা পাবেন। এছাড়া দেশীয় পর্যটনকে উৎসাহিত করতে কো-পেমেন্ট প্রোগ্রাম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।  

থাপানি বলেন, থাইল্যান্ড এই সুযোগে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ইউরোপের সরাসরি ফ্লাইট বাড়িয়ে একটি এভিয়েশন হাব হয়ে উঠতে পারে। এজন্য এয়ারপোর্টস অব থাইল্যান্ডকে ইউরোপ ও অন্যান্য দীর্ঘ দূরত্বের গন্তব্য থেকে সরাসরি ফ্লাইটের জন্য স্লট সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।  

তিনি আরো জানান, চীন ইতোমধ্যে ইউরোপ ও যুক্তরাজ্য থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্লাইট আকর্ষণ করছে। তাই থাইল্যান্ডকেও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হবে। এজন্য আন্তর্জাতিক পর্যটন পোর্টফোলিওতে ভারসাম্য আনা হবে। মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে পতন ঠেকাতে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে জোর দেওয়া হবে।  

যদি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে ওয়ার রুম আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করবে। এর মধ্যে বিশেষ সফট লোনের মতো সুবিধা থাকবে। ফুকেট ট্যুরিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি থানেত তান্তিপিরিয়াকিজ জানিয়েছেন, আসন্ন লো সিজনে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়া থেকে পর্যটক আসবে বলে তারা আশাবাদী। তবে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে পতন ঘটবে।  

থাই ট্রাভেল এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানসূচক মহাসচিব আদিথ চেয়ারাত্তানানন বলেছেন, চীন ও ইউরোপের মধ্যে ফ্লাইট সংযোগ বাড়ছে। তাই থাইল্যান্ডকে দ্বিপক্ষীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে চীন থেকে পর্যটক আকর্ষণ করতে হবে।

Logo