বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই রয়েছে ঝকঝকে বিমানবন্দর। সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দর, কাতারের হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কিংবা চীনের বেইজিং দ্যাক্সিং বিমানবন্দর; সবই আধুনিক প্রযুক্তি ও নকশার অনন্য উদাহরণ। কিন্তু উন্নত প্রযুক্তির যুগেও পৃথিবীতে এমন কয়েকটি দেশ রয়েছে, যেখানে আজও গড়ে ওঠেনি নিজস্ব বিমানবন্দর।
পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটিতে নেই কোনো বিমানবন্দর। পোপদের রাজত্ব করা এই দেশে যেতে হলে প্রথমে রোমে পৌঁছাতে হয়। সেখানকার ফিউমিচিনো বিমানবন্দর থেকে সড়ক পথে ভ্যাটিকানে প্রবেশ করা যায়।
ইতালির ভেতরে অবস্থিত ক্ষুদ্র দেশ সান মারিনোতেও নেই কোনো বিমানবন্দর। ইতালির রিমি বিমানবন্দর হয়ে সহজে যাওয়া যায় এই দেশে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত লিচেনস্টাইনেও নেই নিজস্ব বিমানবন্দর। সুইজারল্যান্ডের সেন্ট গ্যালেন-অ্যাল্টেনরাইন বিমানবন্দর থেকে এখানে পৌঁছানো যায়। এছাড়া সড়ক ও জলপথেও যাতায়াত সম্ভব।
ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত পৃথিবীর দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ মোনাকো। জনসংখ্যা মাত্র ৪০ হাজার। এখানে যেতে হলে ফ্রান্সের নিস শহরের কোট ডা জিউ বিমানবন্দর ব্যবহার করতে হয়।
ফ্রান্স ও স্পেনের মাঝখানে পিরেনিজ পর্বতমালায় অবস্থিত অ্যান্ডোরা তুলনামূলকভাবে বড় দেশ হলেও এখানেও নেই বিমানবন্দর। স্পেন ও ফ্রান্সের বিমানবন্দর থেকে সহজেই পৌঁছানো যায়।
আধুনিক যুগে বিমান পরিবহন বিশ্বকে আরো কাছাকাছি এনেছে। তবে ভ্যাটিকান সিটি, সান মারিনো, লিচেনস্টাইন, মোনাকো ও অ্যান্ডোরা; এই পাঁচটি দেশ এখনো বিমানবন্দরহীন। প্রতিবেশী দেশের বিমানবন্দর ব্যবহার করেই সেখানে পৌঁছাতে হয়।
logo-1-1740906910.png)