Logo
×

Follow Us

এশিয়া

শ্রীলঙ্কায় চালু হলো ডিজিটাল নোম্যাড ভিসা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৫

শ্রীলঙ্কায় চালু হলো ডিজিটাল নোম্যাড ভিসা

ডিজিটাল নোম্যাডদের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ভারত মহাসাগরের মুক্তো খ্যাত দেশটি ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে ডিজিটাল নোম্যাড ভিসা। এর মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকরা এক বছর মেয়াদি ভিসা নিয়ে শ্রীলঙ্কায় বসবাস ও কাজ করতে পারবেন।  

কোভিড-১৯ মহামারির পর বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল নোম্যাডিজম জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই দূর থেকে কাজের সুযোগ নিয়ে সমুদ্রসৈকত, পাহাড় কিংবা মনোরম শহরে বসে কাজ করতে চান। শ্রীলঙ্কা এখন সেই তালিকায় যুক্ত হলো।  

ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে আবেদনকারীর বয়স হতে হবে কমপক্ষে ১৮ বছর। মাসিক আয় থাকতে হবে ন্যূনতম ১ হাজার ৭০০ ইউরো বা ২ হাজার মার্কিন ডলার। যদি দুইয়ের বেশি সন্তান থাকে, তবে প্রতি সন্তানের জন্য আয় শর্ত বাড়বে ৪২৫ ইউরো বা ৫০০ ডলার। আবেদনকারীদের অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তারা শ্রীলঙ্কার বাইরে থাকা ক্লায়েন্টদের জন্য কাজ করছেন।  

ডিজিটাল নোম্যাড ভিসার আবেদন করা যাবে শ্রীলঙ্কার ইমিগ্রেশন ও এমিগ্রেশন বিভাগের ওয়েবসাইটে। ভিসার মেয়াদ এক বছর, যা প্রতি বছর নবায়নযোগ্য। প্রতি জনের জন্য খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২৫ ইউরো। তবে শর্ত রয়েছে, ভিসাধারীরা শ্রীলঙ্কার কোনো কোম্পানিতে কাজ করতে পারবেন না এবং রাজনৈতিক বা বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে।  

শ্রীলঙ্কা প্রতি বছর প্রায় ২৩ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটককে আকর্ষণ করে। দক্ষিণ উপকূলের মনোমুগ্ধকর সৈকত, জাতীয় উদ্যানে হাতি, বাঘ ও চিতাবাঘ দেখার সুযোগ, সিগিরিয়া ও অনুরাধাপুরার মতো ঐতিহাসিক শহর ভ্রমণ; সব মিলিয়ে দেশটি পর্যটকদের কাছে স্বপ্নের গন্তব্য। ২০২৩ সালে চালু হওয়া ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘পেকো ট্রেইল’ হাঁটার পথও পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ।  

তবে একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে ইন্টারনেটের গতি। স্পিডটেস্ট গ্লোবাল ইনডেক্স অনুযায়ী, স্থায়ী ব্রডব্যান্ডে শ্রীলঙ্কা বিশ্বে ১৩১তম স্থানে রয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য ও জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা ডিজিটাল নোম্যাডদের জন্য দেশটিকে আকর্ষণীয় করে তুলছে।

Logo