জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় যেসব কাগজপত্র
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৯:৩২
জার্মানিতে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক কিন্তু এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্তভাবে ভর্তি নিশ্চিত হয়নি- এমন শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারেন স্টুডেন্ট অ্যাপ্লিক্যান্ট ভিসার জন্য। এই ভিসার মাধ্যমে তারা দেশটিতে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষা, সাক্ষাৎকার, ভাষা কোর্স বা অন্যান্য ভর্তিসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবেন। ভর্তি নিশ্চিত হলে পরবর্তী সময়ে রেসিডেন্স পারমিটের জন্য আবেদন করা যাবে।
আবেদনকারীদের দুটি পূরণকৃত জাতীয় ভিসা ফরম এবং জার্মান ভিসা ফটো নির্দেশিকা অনুযায়ী দুটি সাম্প্রতিক বায়োমেট্রিক ছবি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রচেষ্টা প্রমাণ করতে হবে। গ্রহণযোগ্য প্রমাণের মধ্যে রয়েছে—
- বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসন বরাদ্দ বা আবেদন নিশ্চিতকরণ পত্র
- অধ্যয়ন কার্যক্রমের জন্য আনুষ্ঠানিক রিজার্ভেশন পত্র
- আবেদন সফলভাবে জমা হয়েছে মর্মে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিশ্চয়তা
- ভর্তির সিদ্ধান্তের জন্য ব্যক্তিগত উপস্থিতি আবশ্যক- এমন সনদপত্র
- সাপ্তাহিক অন্তত ১৮ ঘণ্টার ক্লাসসহ প্রস্তুতিমূলক বা ভাষা কোর্সে নিবন্ধনের প্রমাণ
এছাড়া জার্মান আবিটুর-এর সমমান স্বীকৃত স্কুল সমাপনী সনদ এবং জার্মান বা ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণও দিতে হবে।
আবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ। জার্মান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হতে চায় যে শিক্ষার্থীরা অবস্থানকালে সরকারি তহবিলের ওপর নির্ভর না করে নিজেদের ব্যয় মেটাতে পারবেন। প্রমাণ হিসেবে জমা দেওয়া যেতে পারে—
- গত তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- বৃত্তি প্রাপ্তির পত্র
- ব্লকড অ্যাকাউন্ট
- জার্মানিতে বসবাসরত স্পন্সরের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণাপত্র
- অভিভাবকের সহায়তার ঘোষণাপত্রসহ বেতন স্লিপ বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার ছুটি অনুমোদনের পত্র
জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), পূর্ববর্তী শিক্ষাগত সনদ ও ডিগ্রি, স্বাস্থ্যবীমা, বৈধ পাসপোর্ট, আবাসনের প্রমাণ এবং ভিসা ফি (৭৫ ইউরো) পরিশোধের রসিদ জমা দিতে হবে। প্রতিটি মূল কাগজপত্রের দুটি করে ফটোকপি দিতে হবে।
ভিসাধারীদের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা নিবন্ধন অফিসে ঠিকানা নিবন্ধন করতে হবে। ভিসার মেয়াদ বজায় রাখতে স্বাস্থ্যবীমা, আর্থিক সামর্থ্য এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রমাণ দেখাতে হতে পারে।
logo-1-1740906910.png)