২০২৬ সালের হ্যাপি সিটি ইনডেক্স প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী শহরগুলোর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এ বছরও ইউরোপীয় শহরগুলো তালিকায় আধিপত্য বজায় রেখেছে। শীর্ষে রয়েছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন।
তালিকার শীর্ষ দশে ইউরোপের শহরই বেশি জায়গা করে নিয়েছে। কোপেনহেগেনের পর রয়েছে ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কি ও সুইজারল্যান্ডের জেনেভা। এছাড়া সুইডেনের উপসালা, নরওয়ের ট্রনহেইম, সুইজারল্যান্ডের বার্ন, জার্মানির মিউনিখ এবং ডেনমার্কের আরহুসও শীর্ষ দশে জায়গা পেয়েছে। ইউরোপের মোট ৩৯টি শহর শীর্ষ ৫০ তালিকায় রয়েছে।
এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে সুখী শহর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে জাপানের টোকিও, যা তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে। পরিবহন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তার কারণে টোকিও উচ্চ নম্বর পেয়েছে। এছাড়া সিঙ্গাপুর, সিউল, ইয়োকোহামা, তাইপে ও ইনচনও শীর্ষ ৫০ তালিকায় জায়গা পেয়েছে।
উত্তর আমেরিকার মাত্র দুটি শহর তালিকায় জায়গা পেয়েছে- কানাডার ভ্যাঙ্কুভার ও যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো। ভ্যাঙ্কুভার ৩৯তম স্থানে রয়েছে, যেখানে পরিবেশগত মান ও স্বাস্থ্যসেবায় ভালো স্কোর করেছে। সান ফ্রান্সিসকো ৪৫তম স্থানে রয়েছে। তবে উচ্চ বাসাভাড়া ও বৈষম্য এর অবস্থানকে নিচে নামিয়ে দিয়েছে।
হ্যাপি সিটি ইনডেক্সে ৬৪টি সূচক ব্যবহার করা হয়েছে, যা ছয়টি মূল থিমে ভাগ করা হয়েছে; নাগরিক, শাসনব্যবস্থা, পরিবেশ, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও চলাচল। এসব সূচকের ভিত্তিতে শহরগুলোর জীবনমান, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন ব্যবস্থা, সাশ্রয়ী জীবনযাপন, পরিবেশগত মান ও সামাজিক কল্যাণ মূল্যায়ন করা হয়েছে।
ডেনমার্ক, সুইডেন, ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের শহরগুলো তালিকায় বারবার উঠে এসেছে। স্বাস্থ্যসেবা, গণপরিবহন, পরিবেশগত মান, নিরাপত্তা ও কাজ-জীবনের ভারসাম্যে তারা এগিয়ে রয়েছে। ফলে নর্ডিক দেশগুলো বিশ্বের সবচেয়ে সুখী অঞ্চলের মর্যাদা ধরে রেখেছে।
logo-1-1740906910.png)