যুক্তরাজ্যে অভিবাসন ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। দেশটি এখন থেকে ই-ভিসা চালু করেছে, যা সম্পূর্ণ ডিজিটাল রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। এর মাধ্যমে ভিসাধারীর পরিচয়, অভিবাসন অবস্থা এবং শর্তাবলি অনলাইনে দেখা যাবে।
ই-ভিসা হলো একটি ডিজিটাল রেকর্ড, যেখানে আবেদনকারীর পরিচয়, ভিসার ধরন এবং শর্তাবলি উল্লেখ থাকে। উদাহরণস্বরূপ, কেউ কাজ বা পড়াশোনা করার অনুমতি পেয়েছেন কিনা তা এই রেকর্ডে দেখা যাবে। এটি ধীরে ধীরে সব ধরনের শারীরিক অভিবাসন নথি প্রতিস্থাপন করবে। ইতোমধ্যেই বায়োমেট্রিক রেসিডেন্স পারমিট (BRP) ই-ভিসায় রূপান্তরিত হয়েছে। শিগগিরই বায়োমেট্রিক রেসিডেন্স কার্ড (BRC), পাসপোর্টে দেওয়া স্টিকার বা ভিনিয়েটও ই-ভিসা দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে।
ই-ভিসা ব্যবহার করতে হলে একটি UKVI অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ভিসাধারীরা তাদের ই-ভিসা দেখতে পারবেন এবং শেয়ার কোড তৈরি করতে পারবেন। এই শেয়ার কোড চাকরি পাওয়া বা বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় অভিবাসন অবস্থা প্রমাণ করতে কাজে লাগবে।
ভ্রমণের সময় ই-ভিসা ব্যবহার করা যাবে। এজন্য পাসপোর্ট বা ভ্রমণ নথির তথ্য ই-ভিসার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এরপর সীমান্তে অভিবাসন যাচাইয়ের সময় ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবহার করা হবে।
ই-ভিসা ব্যবস্থায় আবেদনকারীরা তাদের ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন। যদি কোনো ত্রুটি থাকে, তা রিপোর্ট করার সুযোগও থাকবে।
যুক্তরাজ্যের ই-ভিসা ব্যবস্থা অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরো আধুনিক ও নিরাপদ করছে। পাসপোর্টে স্টিকার বা কার্ডের পরিবর্তে এখন ডিজিটাল রেকর্ডই হবে ভিসার প্রমাণ। এতে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং জাল নথি ব্যবহার কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
তবে এই ই-ভিসার আবেদনের সঙ্গে জাল কাগজপত্র জমা দিলে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে ব্রিটিশ সরকার। ৯ মে এমনটিই জানাল ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন। হাইকমিশন আরো জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের অভিবাসন ব্যবস্থা এখন ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হচ্ছে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের জন্য যাদের ভিসা প্রয়োজন শুধু তারা ই-ভিসা পাবেন। পাসপোর্টে ভিসা স্টিকারের বদলে ই-ভিসা ব্যবহৃত হবে।
logo-1-1740906910.png)