যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরা এখন পর্তুগালের গোল্ডেন ভিসা প্রোগ্রামে নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। নিরাপদ বিনিয়োগ পরিবেশ, কর সুবিধা এবং মাত্র পাঁচ বছরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ তাদের আকর্ষণ করছে।
পর্তুগাল রেসিডেন্টের প্রতিবেদনে জানা যায়, গোল্ডেন ভিসা ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় রেসিডেন্সি-বাই-ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম। এটি ইইউবহির্ভূত নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত, যারা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেন। বিনিয়োগকারীরা প্রথমে রেসিডেন্সি পান এবং পাঁচ বছর পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন।
২০২৫ সালের সংস্কারের পর রিয়েল এস্টেট আর যোগ্য বিনিয়োগ খাত নয়। এখন বিনিয়োগ করতে হচ্ছে নিয়ন্ত্রিত ফান্ডে। ন্যূনতম বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ লাখ ইউরো। বিনিয়োগকারীদের বছরে মাত্র সাত দিন পর্তুগালে থাকতে হয়। এভাবে পাঁচ বছর পর নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়।
মার্কিন বিনিয়োগকারীরা এটিকে আর বিকল্প পরিকল্পনা হিসেবে দেখছেন না। বরং তারা এটিকে সিএমভিএম অনুমোদিত ফান্ডে মূলধন বরাদ্দ হিসেবে দেখছেন। এটি প্রাইভেট ইকুইটি বা ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডে বিনিয়োগের মতোই একটি বৈধ ও নিরাপদ পথ।
কর সুবিধাও তাদের আকর্ষণ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও পর্তুগালের মধ্যে ডাবল ট্যাক্সেশন চুক্তি থাকায় বিনিয়োগকারীরা দ্বিগুণ করের ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকেন। নাগরিকত্ব পাওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ সুবিধা এবং ব্যবসায়িক সুযোগও বৃদ্ধি পায়।
পর্তুগালের স্থিতিশীল অর্থনীতি, নিরাপদ বিনিয়োগ পরিবেশ এবং কম শারীরিক উপস্থিতির শর্ত বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। নাগরিকত্বের জন্য মাত্র পাঁচ বছরের অপেক্ষা তাদের কাছে একটি বড় সুবিধা।
তবে ঝুঁকিও রয়েছে। বিনিয়োগের জন্য ন্যূনতম ৫ লাখ ইউরো দরকার, যা তুলনামূলকভাবে উচ্চ। ফান্ডগুলো অবশ্যই সিএমভিএম অনুমোদিত হতে হবে, নইলে যোগ্যতা বাতিল হতে পারে। নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়ায় আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতাও থাকতে পারে।
logo-1-1740906910.png)