Logo
×

Follow Us

ইউরোপ

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনের শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০:২৩

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনের শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

চলতি বছরের জুন পর্যন্ত এক বছরে যুক্তরাজ্যে সাড়ে ছয় হাজারের বেশি বাংলাদেশি আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছেন। এ তথ্য অনুযায়ী আশ্রয় আবেদনকারীর সংখ্যায় বাংলাদেশ এখন শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে। ইনফো মাইগ্রেন্টস এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।  

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ১২ মাসে মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৮৪ জন আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, যা ২০০১ সালের পর সর্বোচ্চ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন করেছেন পাকিস্তানি নাগরিকরা, ১১ হাজার ২৩৪ জন। এরপর আফগানিস্তান (৮ হাজার ২৮১ জন), ইরান (৭ হাজার ৭৪৬ জন), ইরিত্রিয়া (৭ হাজার ৪৩৩ জন) এবং বাংলাদেশ (৬ হাজার ৬৪৯ জন)। মোট আশ্রয় আবেদনের ছয় শতাংশই বাংলাদেশিদের।

অপেক্ষমান তালিকায়ও বাংলাদেশিরা শীর্ষে রয়েছেন। জুন পর্যন্ত ৯০ হাজারের বেশি আবেদনকারী তাদের প্রাথমিক ফলাফলের অপেক্ষায় ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি ছিলেন ৬ হাজার ৮৩৮ জন, যা মোট অপেক্ষমানের সাড়ে সাত শতাংশ। এ তালিকায় পাকিস্তান ও সিরিয়ার পর বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।  

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে বৈধ ভিসা ইস্যুর সংখ্যা কমেছে। গত বছরের তুলনায় ৩২ শতাংশ কমে চলতি জুন পর্যন্ত ৮ লাখ ৩৪ হাজার ভিসা প্রদান করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ভিসা পেয়েছেন ভারতের নাগরিকরা (১ লাখ ৬৫ হাজার)। এরপর চীন, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।  

অনিয়মিত পথে যুক্তরাজ্যে প্রবেশকারীদের মধ্যে আফগানিস্তান, ইরিত্রিয়া, ইরান, সুদান ও সিরিয়ার নাগরিকরা শীর্ষে। গত এক বছরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ৪২ হাজারের বেশি মানুষ যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছেন।  

যুক্তরাজ্যের কারাগারে বিদেশি বন্দির সংখ্যা সেপ্টেম্বরের শেষে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৭৩৭ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলবেনিয়ান। এরপর পোলিশ, আইরিশ, রোমানিয়ান ও ভারতীয়।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ায় কড়াকড়ি আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সাময়িকভাবে শরণার্থী মর্যাদা দিয়ে পরে নিরাপদ বিবেচিত হলে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। একই সঙ্গে অবৈধ অভিবাসী ও অপরাধীদের ফেরত নিতে সহযোগিতা না করলে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। ইতোমধ্যে অ্যাঙ্গোলা, নামিবিয়া ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোকে এ ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে।

Logo