Logo
×

Follow Us

এশিয়া

ভারতে তৃতীয় ভাষা শেখা নিয়ে মামলা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:১৯

ভারতে তৃতীয় ভাষা শেখা নিয়ে মামলা

ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)-এর নতুন তিন ভাষা নীতি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের একাংশের ক্ষোভের পর বিষয়টির বৈধতা খতিয়ে দেখতে রাজি হয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

গত ১৫ মে সিবিএসই একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেখানে বলা হয়, নবম ও দশম শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের তিনটি ভাষা পড়া বাধ্যতামূলক হবে। এর মধ্যে অন্তত দুটি ভাষা ভারতীয় হতে হবে। হিন্দি, সংস্কৃত বা অন্য কোনো ভারতীয় ভাষা বেছে নেওয়া যাবে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই নবম শ্রেণির পরীক্ষায় তিনটি ভাষার পরীক্ষা নেওয়া হবে। দশম শ্রেণিতে শুধু তৃতীয় ভাষার পরীক্ষা দিতে হবে।

নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল কর্তৃপক্ষের একাংশও উদ্বেগ প্রকাশ করে। তাদের প্রশ্ন, শিক্ষাবর্ষের মাঝপথে কীভাবে নতুন নিয়ম চালু করা যায়? আর শিক্ষার্থীরা এত দ্রুত নতুন ভাষা শিখবে কীভাবে? এই প্রশ্ন থেকেই নীতির বৈধতা নিয়ে মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে।

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চ CBSE ও NCERT-এর কাছে বিস্তারিত জবাব তলব করেছে। তবে নীতির ওপর স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হয়নি আদালত। অর্থাৎ আপাতত নীতি কার্যকর থাকবে।

CBSE জানিয়েছে, ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি (NEP) এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক ফর স্কুল এডুকেশন-এর সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই নতুন ভাষা নীতি চালু করা হয়েছে। তাদের দাবি, শিক্ষার্থীদের বহুভাষিক দক্ষতা গড়ে তোলার জন্যই এই উদ্যোগ।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, বহুভাষিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে পারে। তবে হঠাৎ করে নতুন নিয়ম চালু করলে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ বাড়বে। অভিভাবকরা আশঙ্কা করছেন, পরীক্ষার চাপ ও নতুন ভাষা শেখার বাধ্যবাধকতা শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

Logo