Logo
×

Follow Us

এশিয়া

আজারবাইজানে ১০০টি আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৯:০৩

আজারবাইজানে ১০০টি আন্তর্জাতিক স্কলারশিপ

আজারবাইজানের খাজার বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন করে ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ১০০টি স্কলারশিপের ঘোষণা দিয়েছে। সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই সুযোগে ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা পূর্ণ অর্থায়নসহ পড়াশোনার সুযোগ পাবেন।

বিশ্বব্যাপী উচ্চশিক্ষার খরচ ক্রমেই বেড়ে যাওয়ায় আজারবাইজানকে এখন অনেকেই বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছেন। যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার ব্যয় যখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন আজারবাইজান তুলনামূলক কম খরচে আন্তর্জাতিক মানের ডিগ্রি ও স্কলারশিপ সুবিধা দিচ্ছে।

সরকারি অর্থায়নে হেইদার আলিয়েভ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন গ্রান্ট প্রোগ্রামের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পাবেন পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ, মাসিক ভাতা, আন্তর্জাতিক বিমান ভাড়া, চিকিৎসা সুবিধা ও ভিসা সহায়তা। এই স্কলারশিপ ব্যাচেলর থেকে শুরু করে মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত। প্রতি বছর প্রায় ১০০ জন শিক্ষার্থী এই সুযোগ পাবেন বলে জানানো হয়েছে।

যোগ্য আবেদনকারীদের মধ্যে থাকবেন ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC) সদস্য রাষ্ট্রের শিক্ষার্থী, নন-অ্যালাইন্ড মুভমেন্ট দেশসমূহের শিক্ষার্থী, ছোট দ্বীপরাষ্ট্র এবং আজারবাইজানের সঙ্গে ঐতিহাসিক বা সাংস্কৃতিক সম্পর্কযুক্ত দেশের শিক্ষার্থীরা।

খাজার বিশ্ববিদ্যালয় নিজেও মেধাভিত্তিক টিউশন ফি ছাড় দিচ্ছে। ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় শিক্ষার্থীদের আলাদা করে আবেদন করতে হবে না, বরং বিশ্ববিদ্যালয় স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্য শিক্ষার্থীদের ২৫%, ৫০% বা ৭৫% পর্যন্ত ছাড়ের সুযোগ দেবে।

বিশেষভাবে নারী গবেষকদের জন্য নায়লেখানিম ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ চালু করা হয়েছে। এটি পূর্ণ অর্থায়নসহ মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের মেধাবী নারী শিক্ষার্থীদের জন্য। আবেদনকারীদের ইংরেজি দক্ষতা, গবেষণায় আগ্রহ এবং নারী নেতৃত্ব নিয়ে মোটিভেশনাল প্রবন্ধ জমা দিতে হবে। প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ায় সীমিত সংখ্যক প্রার্থীই সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন।

আবেদনের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের ৩০ জুন। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আগেভাগে প্রয়োজনীয় নথি, সুপারিশপত্র ও গবেষণা প্রস্তাব প্রস্তুত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আজারবাইজানের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। তুলনামূলক কম খরচে উচ্চশিক্ষা ও পূর্ণ অর্থায়নের সুযোগের কারণে দেশটি দ্রুতই বৈশ্বিক শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

Logo