বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়ার নামে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীর কাছ থেকে বিপুল অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা ১৬ মে রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, প্রতিষ্ঠানটি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও টিউশন ফি জমা দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেই অর্থ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে অনেক শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল হয়ে গেছে এবং তাদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন যোগাযোগের পর প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খাইরুল বাশার বাহার স্বাক্ষরিত চেক দেওয়া হলেও ব্যাংকে সেগুলো ডিজঅনার হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা দ্রুত অর্থ ফেরত, সুদ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান। একই সঙ্গে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তারা বলেন, ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এর আগে সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। পরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন রোমান আলী লস্কর। ব্রিফিং উপস্থাপন করেন মঞ্জুর এলাহী এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন মো. মামুন। এ সময় কানিজ সুবর্ণা, কানিজ রুনা ও মোরশেদ আলম বক্তব্য রাখেন।
logo-1-1740906910.png)