Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

কিরগিজ ভিসা পাচ্ছেন না দেড় শতাধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৫

কিরগিজ ভিসা পাচ্ছেন না দেড় শতাধিক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

কিরগিজিস্তানে অধ্যয়নরত দেড় শতাধিক বাংলাদেশি মেডিকেল শিক্ষার্থী দীর্ঘদিন ধরে ভিসা জটিলতায় ভুগছেন। জুলাই ২০২৫ থেকে তারা বাংলাদেশে আটকে আছেন। ৬ এপ্রিল ঢাকা প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা তাদের দুর্ভোগ তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা জানান, কিরগিজ ভিসা পোর্টালে স্টুডেন্ট ভিসা ক্যাটাগরি ‘উন্মুক্ত’ দেখালেও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আবেদন অনুমোদন করা হচ্ছে না। কোনো অগ্রিম সতর্কবার্তা ছাড়াই কিরগিজ সরকার ভিসা প্রদান বন্ধ রেখেছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা একটি পূর্ণ সেমিস্টার হারিয়েছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের হুমকির মুখে পড়েছেন।

বক্তারা বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বল্পকালীন সময়ের জন্য নিজ দেশে ফিরে আসা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা ফেরার সময় নতুন ভিসার আবেদন করলে তা কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই আটকে যাচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কিরগিজিস্তান সফর করলেও কোনো কার্যকর সমাধান আসেনি।

শিক্ষার্থীরা তাদের সমস্যার সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা চলমান শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ ভিসা অনুমোদন রুট তৈরি এবং কিরগিজিস্তানে একটি দূতাবাস অথবা দায়িত্বশীল কনস্যুলার বিভাগ চালুর দাবি জানান।

সাধরিল হুদা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, “ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করি। কিন্তু মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। এখন নতুন করে আবেদন করতে বলা হচ্ছে, অথচ সে আবেদনও গ্রহণ করা হচ্ছে না। এর ফলে আমাদের শিক্ষাজীবন হুমকির মুখে পড়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কিরগিজিস্তানে বাংলাদেশের কোনো দূতাবাস নেই। শিক্ষার্থীরা উজবেকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ভিসার কাজ করেন। আবার বাংলাদেশেও কিরগিজিস্তানের দূতাবাস নেই। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থিত কিরগিজিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার কাজ সম্পন্ন হয়।

শিক্ষার্থীরা বলেন, এই জটিলতার কারণে তারা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারছেন না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের উপস্থিতি না থাকার কারণে বহিষ্কারের হুমকি দিচ্ছে। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

প্রবাসী শিক্ষার্থীদের এই সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। তারা আশা করছেন, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে, যাতে তারা আবারো কিরগিজিস্তানে ফিরে গিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন।

Logo