অস্ট্রেলিয়ার প্রকৃত শিক্ষার্থী যাচাইয়ের নতুন শর্ত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৬, ২৩:৪২
অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা আবেদনে নতুন শর্ত যুক্ত হয়েছে। ২০২৪ সালের ২৩ মার্চ থেকে জমা দেওয়া সব স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়েছে জেনুইন স্টুডেন্ট বা জিএস শর্ত। এর আগে জমা পড়া আবেদনগুলো মূল্যায়ন করা হয়েছে পুরনো জেনুইন টেম্পোরারি এন্ট্রান্স (জিটিই) নীতির আওতায়।
জিএস শর্তের মূল উদ্দেশ্য হলো আবেদনকারীরা প্রকৃতপক্ষে পড়াশোনার জন্যই অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছেন কি না তা যাচাই করা। অর্থাৎ শিক্ষার্থী হিসেবে অবস্থান করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য হতে হবে। আবেদনকারীদের স্পষ্টভাবে দেখাতে হবে যে তারা পড়াশোনার জন্য প্রস্তুত এবং এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
অস্ট্রেলিয়ার ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জিএস শর্তের প্রশ্নগুলোর উত্তর সরাসরি অনলাইন স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন ফরমেই দিতে হবে। প্রতিটি উত্তরের জন্য সর্বোচ্চ ১৫০ শব্দ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং সব উত্তর ইংরেজিতে দিতে হবে। আবেদনকারীর পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, পূর্ববর্তী শিক্ষা ও চাকরির ইতিহাস, কেন নির্দিষ্ট কোর্স ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেছে নেওয়া হয়েছে এবং এই কোর্স ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে কীভাবে সহায়ক হবে; এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।
শুধু বক্তব্য নয়, বরং সমর্থনযোগ্য নথি ও প্রমাণকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। অর্থাৎ আবেদনকারীর উত্তরগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে প্রাসঙ্গিক ডকুমেন্ট দিয়ে। এতে ভিসা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং নিশ্চিত হবে যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা প্রকৃত অর্থেই পড়াশোনার উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছেন।
এই নীতিতে বলা হয়েছে, প্রকৃত শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে অস্ট্রেলিয়ার প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ভবিষ্যতে স্থায়ী বসবাসের অভিপ্রায় থাকলেও তা জিএস মূল্যায়নে নেতিবাচক হিসেবে গণ্য হবে না। অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষে দক্ষতা অর্জন করে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন।
অস্ট্রেলিয়া সরকার বলছে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে স্টুডেন্ট ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধ করা যাবে। অনেক সময় দেখা যায়, শিক্ষার্থী ভিসার নামে কেউ কেউ অন্য উদ্দেশ্যে দেশটিতে প্রবেশ করেন। নতুন শর্তের মাধ্যমে তা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।
logo-1-1740906910.png)