Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যেতে যা জানতে হবে

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:৫৯

বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যেতে যা জানতে হবে

বিদেশে উচ্চশিক্ষা অনেক তরুণের স্বপ্ন। ভালো স্কলারশিপ, উচ্চ আইইএলটিএস বা জিআরই স্কোর; সবকিছুই যেন সাফল্যের নিশ্চয়তা মনে হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, শুধু নম্বর আর সনদ দিয়ে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেকে প্রমাণ করা যায় না। গবেষণার প্রস্তুতি ও মানসিকতা ছাড়া বিদেশে পড়াশোনা শুরু করলে সেই স্বপ্ন একসময় দুঃস্বপ্নে পরিণত হতে পারে।  

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. মোহা. ইয়ামিন হোসেন এ বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন, গবেষণা না শিখে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় গেলে তা শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, দেশের ভাবমূর্তিও নষ্ট করতে পারে। কোনো বিশ্ববিদ্যালয় যদি একবার অপ্রস্তুত শিক্ষার্থী পায়, তারা ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে আর কোনো ফেলো নিতে অনাগ্রহী হতে পারে।  

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হলে শুধু পরীক্ষার স্কোর যথেষ্ট নয়। গবেষণার প্রতি আগ্রহ, প্রস্তুতি এবং অভিজ্ঞতা অপরিহার্য। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার মান অনেক উচ্চ এবং প্রায় সব ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের গবেষণা প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে হয়। তাই আগে থেকেই গবেষণার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।  

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কী ধরনের গবেষণা হচ্ছে এবং তা আপনার আগ্রহের সঙ্গে কতটা মিল রয়েছে, তা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। বিষয় নির্বাচন করতে হবে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও আগ্রহের সঙ্গে মিলিয়ে।  

আইইএলটিএস, টোফেল বা জিআরই স্কোর বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু উচ্চ স্কোরই যথেষ্ট নয়। একাডেমিক সাফল্য, গবেষণা দক্ষতা এবং অধ্যাপকদের সঙ্গে সম্পর্কও ভর্তি প্রক্রিয়ায় বড় ভূমিকা রাখে।  

স্কলারশিপ পাওয়া প্রাথমিক সাফল্য হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে থাকতে হলে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নতুন ধারণায় আগ্রহ থাকতে হবে। গবেষণার অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের শুধু পড়াশোনায় নয়, ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারেও সহায়তা করে।  

অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন শুধু স্কোর বা স্কলারশিপের ভিত্তিতে ভর্তি করে না। গবেষণার অভিজ্ঞতা না থাকলে বা প্রকল্পে আগ্রহ না থাকলে শিক্ষার্থীকে ফেরত পাঠানো হতে পারে। তাই আবেদন করার সময় ব্যক্তিগত গবেষণা পরিকল্পনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা জরুরি।  

বিদেশে পড়াশোনার আগে গবেষণার জন্য যথাযথ প্রস্তুতি নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোগ্রাম ও অধ্যাপকদের কাজ সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। তাদের গবেষণা নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এতে আবেদন প্রক্রিয়ায় সুবিধা হবে এবং নতুন সুযোগও তৈরি হবে।

Logo