Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

প্রবাসীরা নিরাপদ বিনিয়োগে যেসব বিষয় বিবেচনা করেন

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৯:০২

প্রবাসীরা নিরাপদ বিনিয়োগে যেসব বিষয় বিবেচনা করেন

প্রবাসীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে দেশে জমি বা প্লট কেনার সিদ্ধান্ত নেন মূলত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপদ আবাসন ও আর্থিক সুরক্ষার জন্য। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত সব সময় সহজ নয়। জমি কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো নিরাপদ ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান নির্বাচন। অনেক সময় ভুয়া প্রকল্প বা প্রতারণামূলক কোম্পানির কারণে প্রবাসীদের অর্থ বিফলে যায়। তাই জমি কেনার আগে প্রকল্পের আইনি বৈধতা, প্রতিষ্ঠানের সুনাম এবং পূর্ববর্তী কাজের অভিজ্ঞতা যাচাই করা জরুরি।

জমি বিনিয়োগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সুবিধা ও সুযোগ-সুবিধা বিবেচনা করা। শুধু জমি নয়, বরং প্রকল্পে নাগরিক সুবিধা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিবেশ কতটা উন্নত তা খেয়াল করতে হবে। একটি সুপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্পে খেলার মাঠ, মসজিদ, বাজার, সবুজ গ্রীন জোন এবং আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলে তা ভবিষ্যতে বসবাসের জন্য আদর্শ হয়ে ওঠে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো জমির ভবিষ্যৎ মূল্য অনুমান করা। ইতিহাস বলছে, গুলশান, বনানী কিংবা বসুন্ধরার জমি একসময় যারা কিনেছিলেন, আজ তারা কোটি কোটি টাকার মালিক। জমির দাম যুগে যুগে বেড়েছে বহুগুণ। তাই প্রবাসীদের উচিত এমন জায়গায় বিনিয়োগ করা যেখানে ভবিষ্যতে জমির মূল্য বাড়ার সম্ভাবনা বেশি।

এই প্রেক্ষাপটে রাজধানী ঢাকার উপশহরে গড়ে ওঠা আমিন সিটি পূর্বাচল ও গোল্ড সিটি মাওয়া হতে পারে প্রবাসীদের জন্য নিরাপদ বিনিয়োগের সঠিক ঠিকানা। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, প্রকল্পগুলো আন্তর্জাতিক মানের হাউজিং কনসেপ্টে নির্মিত, যেখানে রয়েছে আধুনিক নাগরিক সুবিধা, সবুজ পরিবেশ এবং বন্যামুক্ত উঁচু জমি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এগুলো পরিচালনা করছে গোল্ডস্যান্ডস গ্রুপ, যাদের আর্থিক সুনাম বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠিত। ফলে প্রবাসীরা নিশ্চিন্তে এই প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগ করতে পারেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারেন।

প্রকল্পগুলোতে রয়েছে অভ্যন্তরীণ ৮০, ৬০, ৪০ ও ২৫ ফিট রাস্তা, ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা প্রহরী এবং সম্পূর্ণ অটোমেশন ব্যবস্থা। প্রতিটি ব্লকে থাকবে খেলার মাঠ, মসজিদ ও বাজার। নির্দিষ্ট গ্রিন জোনে থাকবে সবুজ পরিবেশ, যেখানে সকালে ঘুম ভাঙবে পাখির ডাকে আর সন্ধ্যায় মিলবে নির্মল বাতাসের স্পর্শ।

প্রবাসীরা চান তাদের কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক ব্যবহার। এজন্য প্রতিবছর তারা সম্পত্তি কেনার জন্য পরিবারের কাছে টাকা পাঠান। কিন্তু অনেক সময় ভুয়া আবাসন প্রকল্প বা বেসরকারি কোম্পানির প্রতারণায় অর্থ বিফলে যায়। এ সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন আইনি সুরক্ষা ও সহজ বিনিয়োগ প্রক্রিয়া। গোল্ড সিটি মাওয়া ও আমিন সিটি পূর্বাচল প্রবাসীদের জন্য সেই নিরাপদ ও বিশ্বস্ত বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করছে। অনলাইনে হিসাব খোলা, লভ্যাংশ সরাসরি ঠিকানায় বা হিসাবে পাওয়া এবং বিমানবন্দর বা এক্সচেঞ্জ হাউজে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের সুবিধা প্রবাসীদের বিনিয়োগকে আরো সহজ করবে। 

Logo