Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

২৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছেড়েছে সরকার; প্রবাসীদেরও সুযোগ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২১

২৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছেড়েছে সরকার; প্রবাসীদেরও সুযোগ

বাংলাদেশ সরকার আবারো সুকুক বন্ড ছাড়ছে। এবার বাজার থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা খরচ হবে নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে। এই বন্ডের নাম দেওয়া হয়েছে ৭ম বিনিয়োগ সুকুক বন্ড।  

সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে সাধারণ মানুষও এই বন্ডে অংশ নিতে পারবেন। এটি সাত বছর মেয়াদি এবং প্রতি ছয় মাসে মুনাফা পাওয়া যাবে। সম্ভাব্য মুনাফার হার ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এতে কর রেয়াত রয়েছে এবং এটি শরিয়াহসম্মত বিনিয়োগ। ফলে ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল বিনিয়োগকারীদের জন্য যেমন আদর্শ, তেমনি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্যও এটি ঝুঁকিহীন একটি সুযোগ।  

বন্ড কেনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ট্রেজারি ব্যাংকগুলোতে বিপি হিসাব খুলতে হবে। দেশে বর্তমানে ২৪টি ট্রেজারি ব্যাংক রয়েছে, যেগুলো বিল ও বন্ড বিক্রি করে। আবেদনকারীরা সবাই বন্ড পাবেন, তবে আনুপাতিক ভিত্তিতে। নিলামে অংশগ্রহণের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত।  

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও এই সুকুক বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এ জন্য তাদের দেশে থাকা অনুমোদিত ট্রেজারি ব্যাংকে বিপি হিসাব খুলতে হবে। অনেক ব্যাংক এখন অনলাইনে অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা দিচ্ছে, ফলে প্রবাসীরা দূর থেকেই আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত কিছু ব্যাংকের বিদেশি শাখা থেকেও আবেদন করা যায়। প্রবাসীরা তাদের বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে দেশে থাকা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বন্ড কিনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রমাণপত্র এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হয়।  

প্রবাসীদের জন্য এটি একটি নিরাপদ বিনিয়োগ, কারণ এতে রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি রয়েছে। একই সঙ্গে তারা দেশে অবকাঠামো উন্নয়নে সরাসরি অবদান রাখতে পারবেন। নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের উন্নয়ন প্রকল্পে প্রবাসীদের অর্থ যুক্ত হওয়া মানে তাদের বিনিয়োগ শুধু মুনাফা নয়, দেশের উন্নয়নেও কাজে লাগবে।  

সুকুক হলো ইজারাভিত্তিক বিনিয়োগ সার্টিফিকেট। এতে বিনিয়োগকারীরা কোনো সম্পদের আংশিক মালিকানা পান। সরকার সেই সম্পদ ভাড়া নেয় এবং ভাড়ার টাকা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বণ্টন করে। মেয়াদ শেষে সরকার সম্পদটি কিনে নেয় এবং বিনিয়োগকারীদের আসল টাকা ফেরত দেয়। ফলে এতে সুদের কারবার নেই।

Logo