সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্যপণ্যের প্রদর্শনী গালফ ফুড ফেয়ার ২০২৬-এ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ পেয়েছে বড় সাফল্য। এবারের মেলায় প্রাণ প্রায় ৫৫ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের রপ্তানি ক্রয়াদেশ পেয়েছে, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৬৭ কোটি টাকার সমান।
প্রাণের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসব ক্রয়াদেশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব, ইরাক, সিরিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, সোমালিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে। বিস্কুট, নুডলস, বেভারেজ ও কনফেকশনারি পণ্যের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ছিল।
পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলায় বিশ্বের ১৯৫টি দেশ থেকে আট হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। প্রাণ গ্রুপ প্রদর্শন করেছে প্রায় ৫০০ ধরনের খাদ্যপণ্য। প্রাণের নির্বাহী পরিচালক (রপ্তানি) মিজানুর রহমান বলেন, “আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, সেন্ট্রাল ও সাউথ আমেরিকা এবং ইউরোপে রপ্তানি বাড়াতে আমরা কাজ করছি। গালফ ফুড ফেয়ার আমাদের জন্য নতুন বাজার খুঁজে পাওয়ার বড় সুযোগ।”
প্রাণের নির্বাহী পরিচালক গোলাম রসুল (রপ্তানি, ইউরোপ ও আমেরিকা) জানান, এবারের মেলায় ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ আমদানিকারক প্রাণের স্টল পরিদর্শন করেছেন। সেখানে জুস ও বেভারেজ, বিস্কুট ও বেকারি, স্ন্যাকস, নুডলস, মসলা, কালিনারি ও ফ্রোজেন ফুডস প্রদর্শন করা হয়।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, “বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে প্রাণের পণ্য পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি প্রাণকে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি খাদ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানের একটি হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। গালফ ফুড ফেয়ার ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এবারের ক্রয়াদেশ আমাদের জন্য বড় অর্জন।”
গালফ ফুড ফেয়ারে প্রাণের সাফল্য বাংলাদেশের খাদ্যপণ্য শিল্পকে বিশ্ববাজারে আরো শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে। ক্রেতাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করে দেশের রপ্তানি আয় বাড়াতে প্রাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
logo-1-1740906910.png)