Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

২০২৭ সালে সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন, আছে দুঃসংবাদও!

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৮

২০২৭ সালে সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন, আছে দুঃসংবাদও!

আগামী বছরের (২০২৭ সাল) সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ওই বছর সাধারণ ও নির্বাহী আদেশ মিলিয়ে মোট ২৯ দিন ছুটি থাকবে। এর মধ্যে সাত দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবারে। সাপ্তাহিক ছুটি বাদ দিলে কার্যকর সরকারি ছুটি হয় মোট ২২ দিন। এর মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উৎসব উদযাপনে ঐচ্ছিক ছুটি ২ দিন।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

নাসিমুল গনি জানান, এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুটি আইনও পাস হয়েছে। এছাড়া চীনের প্রশাসনিক এলাকা হংকংয়ের সাথে একটি মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স (এমএলএ) চুক্তির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৭ সালে জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে ১৫ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এর মধ্যে চার দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার পড়েছে। এছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এর মধ্যে তিন দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন পড়েছে। সব মিলিয়ে ২৯ দিনের ছুটির মধ্যে সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় কার্যকর ছুটি থাকবে ২২ দিন।

সচিব জানান, সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের অন্য এলাকায় কর্মরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সরকারি কর্মচারীদের প্রধান সামাজিক উৎসব, যেমন বৈসাবি উদযাপনে দুই দিন ঐচ্ছিক ছুটির বিধান রাখা হয়েছে।

এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরে সংসদ অধিবেশনে এটি বিল আকারে উত্থাপন হবে। দ্রুত সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণের উদ্দেশে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারিকৃত এই অধ্যাদেশটি পরে জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এছাড়া পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬-এ ষষ্ঠ দফায় এই সংশোধন আনা হয়েছে। দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র নারী ও সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা সংরক্ষণের উদ্দেশে এটি করা হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে সম্পাদিত মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স এগ্রিমেন্ট (এমএলএ) বা পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয় মন্ত্রিসভায়। সচিব জানান, অপরাধমূলক কার্যক্রম বিষয়ে পারস্পরিক আইনি ও তথ্য বিনিময় সহায়তা দিতে ওই চুক্তি করা হয়েছে।

Logo