Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

সরকারি ব্যবস্থাপনায় কমেছে হজযাত্রী

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৫৪

সরকারি ব্যবস্থাপনায় কমেছে হজযাত্রী

সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে আগ্রহ কমে আসলেও ২০২৭ সালের হজে সরকারি কোটায় হজযাত্রীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী বছর সরকারি ব্যবস্থায় ৬ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থায় ৭২ হাজার ৫০০ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি হজ পালনের সুযোগ পাবেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৭ সালের হজ প্রস্তুতিসংক্রান্ত নথিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে সরকারি ব্যবস্থায় হজযাত্রীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমেছে। ২০২৩ সালে সরকারি ব্যবস্থায় হজ পালন করেন ১০ হাজার ৩৬০ জন। ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা নেমে আসে ৪ হাজার ৫৬২ জনে। ২০২৫ সালে সামান্য বেড়ে ৫ হাজার ২০০ হলেও ২০২৬ সালে আবার কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৫৬৫ জনে।

সে হিসাবে ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে সরকারি ব্যবস্থার হজযাত্রী কমেছে প্রায় ৫৬ শতাংশ।

অন্যদিকে বেসরকারি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ২০২৬ সালে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ হজযাত্রীর মধ্যে ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনই বেসরকারি ব্যবস্থায় হজ পালন করেছেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নথি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৭১টি হজ এজেন্সি ২৮টি লিড এজেন্সির অধীনে কাজ করবে। নির্ধারিত কোটার বাইরে বিভিন্ন এজেন্সি থেকে আরও ১৬ হাজার ৮৩৩ জন হজযাত্রীর নিবন্ধন চাহিদা পাওয়া গেছে।

এ কারণে অতিরিক্ত কোটা চেয়ে সৌদি সরকারের কাছে আবেদন করার প্রস্তুতি চলছে। কোটা বৃদ্ধি অনুমোদন পেলে আগামী বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৯৬ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরবে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০২৭ সালের জন্য সরকার ইতোমধ্যে দুটি সরকারি হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। সরকারি ব্যবস্থার প্রথম প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। দ্বিতীয় প্যাকেজের মূল্য ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যবস্থার সাধারণ প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬৪৮ টাকা।

হজযাত্রীদের আবাসন নিশ্চিত করতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দলকে সৌদি আরব সফরের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০২৭ সালের হজবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি আগামী ৮ নভেম্বর স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হবে। বাংলাদেশ থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হতে পারে ৮ এপ্রিল। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৫ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এরপর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফিটনেস সনদ, টিকাদান, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে।

Logo