Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ২১:২২

দক্ষতা উন্নয়নে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করতে জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষ জনশক্তি অভিবাসন, কারিগরি শিক্ষা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে সহযোগিতা বাড়ানো জরুরি। ১ অক্টোবর বঙ্গভবনে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান  জানান।

অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল স্যাম মস্টিন এসির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছাপত্র প্রদান করেন হাইকমিশনার। রাষ্ট্রপতি এ শুভেচ্ছার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি উৎস বহুমুখীকরণে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি এলএনজি আমদানির সুযোগ সৃষ্টির প্রস্তাব দেন। পাশাপাশি অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, চিকিৎসা প্রযুক্তি, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।

আগামী নভেম্বরে ক্যানবেরায় সিনিয়র কর্মকর্তাদের বৈঠক ও টিআইএফএ বৈঠক দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল ও কারিগরি ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি অভিবাসনের সুযোগকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়। একই সঙ্গে বৃত্তি ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তিনি ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যানবেরার একটি ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন।

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কর্মশক্তিকে কর্মোপযোগী দক্ষতা দিতে টিএএফই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর সহযোগিতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন রাষ্ট্রপতি। বিশেষ করে কেয়ারগিভার প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি অস্ট্রেলিয়ার মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, সংকটের টেকসই সমাধানে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা অব্যাহত থাকা প্রয়োজন।

রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে বাস্তব অর্থনৈতিক সুযোগ, দক্ষতা উন্নয়ন, বিনিয়োগ এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও চলাচল বৃদ্ধির ওপর আরো বেশি গুরুত্ব দেবে।

অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার বলেন, তার দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তিনি ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর সংস্কার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ইতিবাচক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে ব্যাংকিং সংস্কারের প্রশংসা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

Logo