Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

আরো চার ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯

আরো চার ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং খাতে নতুন অধ্যায় শুরু হলো। বাংলাদেশ ব্যাংক আরো চারটি ডিজিটাল ব্যাংককে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত নগদ ডিজিটাল ব্যাংক ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংকও নতুন শর্ত পূরণ করলে কার্যক্রমে আসতে পারবে।

২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।

নতুন অনুমোদন পাওয়া চার ব্যাংক হলো বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক। বিকাশের শেয়ারধারীরা বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা। ভুটানের ডিকে ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের মূল উদ্যোক্তা। নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন এবং বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবি আজিয়াটা লিমিটেড।

নতুন শর্ত অনুযায়ী, উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডারদের ৩০০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করতে হবে। আগে এ শর্ত ছিল ১২৫ কোটি টাকা। এবার পুরো মূলধন পরিশোধিত থাকতে হবে।

এছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠানকে একবারে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে না। প্রথমে ছয় মাস পরীক্ষামূলকভাবে ব্যাংকিং সেবা চালাতে হবে। এ সময়ে কার্যক্রম সফল হলে পরে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হবে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ব্যর্থ হলে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নগদ ডিজিটাল ব্যাংককে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। কড়ি ডিজিটাল ব্যাংকও প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছিল। তবে বিদেশে কোম্পানি খুলে অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠায় নগদের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। কড়ির চূড়ান্ত লাইসেন্সও দেওয়া হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, নগদের মালিকানায় যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত পাঁচটি কোম্পানি রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে চিঠি পাঠানো হলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো তথ্য পায়নি। একই ধরনের সমস্যা কড়ি ডিজিটাল ব্যাংকের ক্ষেত্রেও দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নগদ ও কড়ি নতুন শর্তে রাজি হলে লাইসেন্স পেতে পারে। তবে বিতর্কিত বা পলাতক উদ্যোক্তারা থাকতে পারবেন না। মূলধনের নতুন শর্তও পূরণ করতে হবে।

২০২৩ সালে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তখন ৫২টি আবেদন জমা পড়ে। সেখান থেকে নগদ ও কড়িকে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এখন নতুন চার ব্যাংক যুক্ত হওয়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং খাত আরো বিস্তৃত হতে যাচ্ছে।

Logo