পাসপোর্ট দ্বিতীয়বার হারালে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২
পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হলে পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এবার থেকে দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী প্রতিবার পাসপোর্ট হারালে নির্ধারিত ফির সঙ্গে অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
২১ সেপ্টেম্বর জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হলে তাৎক্ষণিকভাবে অনলাইনে রিপোর্ট করতে হবে। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে রিপোর্ট জমা দিলে পাসপোর্টের স্ট্যাটাস হালনাগাদ হবে। একই সঙ্গে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। থানা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জিডির সঠিকতা যাচাই করে প্রতিবেদন পাঠাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন না এলে জিডির কপি দিয়েই পুনঃইস্যুর আবেদন করা যাবে। এরপর অধিদপ্তর ‘লস্ট সার্কুলার’ জারি করে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করবে।
যদি প্রমাণ হয় কোনো ব্যক্তি বা ট্রাভেল এজেন্সির কাছে পাসপোর্ট জমা দিয়ে অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে, তবে আগের পাসপোর্ট বাতিল করে নতুন পাসপোর্ট দেওয়া হবে। হারানো বা চুরি হওয়া পাসপোর্টের তথ্য পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে হালনাগাদ হবে। প্রয়োজনে ইন্টারপোলকেও জানানো হবে। বিদেশে অবস্থানকালে পাসপোর্ট হারালে অনলাইনে রিপোর্ট করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা হাইকমিশনকে জানাতে হবে। তারা ‘লস্ট সার্কুলার’ জারি করে পুনঃইস্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
নতুন পাসপোর্টে ডেটা পেজে হারানোর বিষয়টি উল্লেখ থাকবে। আগের পাসপোর্টের তথ্যও ডেটাবেজে হালনাগাদ হবে। আবেদনকারীর নাম, জন্মতারিখ, পিতার নাম ও মাতার নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে আইন অনুযায়ী অনুমোদিত সংশোধন আলাদাভাবে বিবেচনা করা হবে।
আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পাসপোর্ট থাকলে তা জমা দিয়ে নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে। কিন্তু সম্পূর্ণ বিনষ্ট হলে হারানো পাসপোর্টের নিয়মই মানতে হবে। কোনো পাসপোর্ট হারানো হিসেবে রিপোর্ট করার পর সেটি বাতিল হলে পরে পাওয়া গেলেও আর সক্রিয় করা যাবে না। পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে জানাতে হবে। বিদেশে থাকলে সংশ্লিষ্ট মিশনকে অবহিত করতে হবে।
logo-1-1740906910.png)