বাংলাদেশ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড অর্জন করেছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সংসদে জানিয়েছেন, গত অর্থবছরে বৈধ চ্যানেলে দেশে এসেছে ৩৫.৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৫.২৬ বিলিয়ন ডলার।
সৌদি আরব থেকে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরে ৪.২৬ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে এবার হয়েছে ৫.৮৫ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাজ্য দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎসে পরিণত হয়েছে, ৩.১৭ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ৫.০৭ বিলিয়ন ডলার।
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে রেমিট্যান্স বেড়ে হয়েছে ৪.৫৮ বিলিয়ন ডলার, মালয়েশিয়া থেকে বেড়ে হয়েছে ৩.৪০ বিলিয়ন ডলার। ইতালি ও ওমান থেকে প্রত্যেকেই ২.০৫ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছে। কুয়েত থেকে এসেছে ১.৭৬ বিলিয়ন ডলার, কাতার থেকে ১.৫৬ বিলিয়ন ডলার।
সিঙ্গাপুর থেকেও উল্লেখযোগ্য প্রবাহ দেখা গেছে, ০.৯৯ বিলিয়ন থেকে বেড়ে হয়েছে ১.৪৯ বিলিয়ন ডলার। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এসেছে ০.৬৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।
ফ্রান্স থেকে রেমিট্যান্স বেড়ে হয়েছে ০.৪৭ বিলিয়ন ডলার, অস্ট্রেলিয়া থেকে বেড়ে হয়েছে ০.২৬ বিলিয়ন ডলার। জর্ডান থেকে এসেছে ০.২৫ বিলিয়ন ডলার এবং গ্রিস থেকে সামান্য বেড়ে হয়েছে ০.২০ বিলিয়ন ডলার।
তবে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি চারটি দেশ থেকে রেমিট্যান্স কমেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স সবচেয়ে বেশি হ্রাস পেয়েছে, ৪.৭৩ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে এসেছে ৩.০৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ প্রায় ১.৭০ বিলিয়ন ডলার কমেছে, যা ৩৫.৯ শতাংশ পতন।
কানাডা থেকে প্রবাহ অর্ধেকে নেমে এসেছে ০.২২ বিলিয়ন থেকে ০.১১ বিলিয়ন ডলার। মালদ্বীপ থেকে রেমিট্যান্স কমে হয়েছে ০.১২ বিলিয়ন ডলার, যা ১৬.৪ শতাংশ হ্রাস। মরিশাস থেকে এসেছে মাত্র ০.০৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ৪২.৭ শতাংশ কম।
logo-1-1740906910.png)