বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রুট সম্প্রসারণ ও আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে বিমান ভাড়া আরো কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়।
মন্ত্রী জানান, অতীতে হজযাত্রীদের জন্য বিমান ভাড়া ছিল প্রায় দুই লাখ টাকা। পরে অন্তর্বর্তী সরকার তা কমিয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় নামিয়ে আনে। গত হজ মৌসুমে সর্বোচ্চ ভাড়া ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা, যা এবার ডায়নামিক প্রাইসিংয়ের মাধ্যমে কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, “বিমানের রুটগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে আয় বাড়বে। সে ক্ষেত্রে আমরা বিমান ভাড়া আরো কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করব।”
মন্ত্রী জানান, বিমানের নতুন উড়োজাহাজ কেনা এবং বন্ধ থাকা রুটগুলো পুনরায় চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আয় বাড়বে এবং যাত্রীদের জন্য টিকিট আরো সাশ্রয়ী হবে।
তিনি বলেন, “অন্যান্য আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স যেভাবে পরিচালিত হয়, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করব।”
বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মুজিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে প্রকৃত বিমান ভাড়া প্রায় ৬ হাজার ৪০০ টাকা, ১২ হাজার নয়। এর সঙ্গে যাত্রীদের প্রায় ১৫ শতাংশ কর ও অন্যান্য চার্জ যুক্ত হয়।
তিনি আরো জানান, ফ্লাইট ছাড়ার শেষ সময়ে টিকিটের মূল্য কারসাজি বা কালোবাজারি ঠেকাতে সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। যাত্রীরা যাতে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে টিকিট কিনতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।
মন্ত্রী সংসদে বলেন, “আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, ইনশাআল্লাহ, আপনাদের কখনো বেশি দামে টিকিট কিনতে হবে না। নির্ধারিত মূল্যেই টিকিট পাওয়া যাবে।”
logo-1-1740906910.png)