Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে আরো কর্মী নিতে চায় কসোভো

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৯

বাংলাদেশ থেকে আরো কর্মী নিতে চায় কসোভো

বাংলাদেশ ও কসোভো স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে আরো শ্রমিক নিয়োগে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) ব্যবস্থার সম্ভাবনা অনুসন্ধানে সম্মত হয়েছে। ১৩ আগস্ট প্রিস্টিনায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ফরেন অফিস কনসালটেশনে (এফওসি) এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়।

বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (বাইল্যাটারাল–ইস্ট অ্যান্ড ওয়েস্ট) ড. এম. নাজরুল ইসলাম। কসোভোর প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্র ও প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব ইলির মুজাই।

আলোচনায় উভয় পক্ষ শ্রমিক নিয়োগে কাঠামোবদ্ধ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরে। তারা বলেন, ক্রমবর্ধমান শ্রমবাজারের চাহিদা পূরণে জি-টু-জি সহযোগিতা শ্রম অভিবাসনকে স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করবে।

এফওসিতে দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করে সন্তোষ প্রকাশ করে। কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা তারা ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন। একই সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, কৃষি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পর্যটন, শ্রম অভিবাসন এবং জনগণের মধ্যে বিনিময় বাড়ানোর সম্ভাবনা চিহ্নিত করেন।

উভয় পক্ষ দ্রুত অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও দ্বৈত কর পরিহার সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদনের ওপর গুরুত্ব দেয়। কসোভো বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের শান্তিরক্ষা অভিযানে অবদানকে স্বীকৃতি জানায় এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

বাংলাদেশ কসোভোর আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনে ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণকে স্বাগত জানায় এবং বহুপাক্ষিক প্রক্রিয়ায় এর অন্তর্ভুক্তিকে সমর্থন করে। একই সঙ্গে কসোভো বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে এবং মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের প্রচেষ্টায় সমর্থন জানায়।

দুই দেশ সন্ত্রাসবাদ, সহিংস চরমপন্থা ও আন্তঃদেশীয় অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে। তারা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে একমত হন।

আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, ২০২৭ সালে তৃতীয় ফরেন অফিস কনসালটেশন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

Logo